Dhaka 3:54 pm, Wednesday, 16 September 2026
News Title :
দেওয়ালিয়াবাড়ী আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে মজিবুর রহমানকে চান শিক্ষার্থী-এলাকাবাসী সাগর-রুনি হত্যার রহস্য উদঘাটনের দাবিতে রাজশাহীতে মানববন্ধন। ফরিদপুরে শিশু শাকিব হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার, অটোভ্যান উদ্ধার। নওগাঁর মান্দা কসবা ঠাকুরমান্দা গ্রামে ২১০৫ লিটার চোলাইমদ তৈরির ওয়াশসহ এক নারী গ্রেপ্তার। চান্দিনায় ভুয়া ডাক্তার ও ‘ম্যানেজ’ শক্তিতে চলছে “মা-মনি মেডিকেল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার। ফরিদপুর থানা ইনচার্জ (ওসি) মনজুরুল হাসান মাসুদের নেতৃত্বে ২৪ ঘন্টায় সাকিবুল হত্যার আসামী আটক ও অটোভ্যান উদ্ধার।  আমার ২টি সন্তানকে এতিম করে যেতে চাই না”*  স্টেজ-৪ ব্লাড ক্যান্সারের সাথে যুদ্ধ করছেন পুলিশ কনস্টেবল মোসাম্মৎ ফারজানা আক্তার লিজা* সাতক্ষীরা শ্যামনগরে ২নংকাশিমাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি নিয়ে ক্ষোভ। হাওরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে কৃষক নিহত, আহত ৩। রাণীশংকৈলে ২৬০ টি ইয়াবাসহ তিনজন গ্রেপ্তার।

ইন্টারপোলের মাধ্যমে শিবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান হারুন হত্যার আসামি মহসিনকে আনা হলো দেশে

  • Reporter Name
  • Update Time : 05:53:42 pm, Tuesday, 5 August 2025
  • 157 Time View

নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ খান হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মহসিন মিয়াকে (৪৬) দুবাই থেকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে দুবাই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে এবং বাংলাদেশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) পিবিআই সদর দপ্তর থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশ পুলিশের একটি প্রতিনিধি দল ১৫ জুলাই দুবাই গিয়ে ২০ জুলাই মহসিন মিয়াকে দেশে নিয়ে আসে। দেশে ফিরেই মহসিন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

২০২৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে হারুনুর রশিদ খান শিবপুর উপজেলার নিজ বাসায় গুলিবিদ্ধ হন। ৯৪ দিন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

হত্যাকাণ্ডের আগের দিন রাতে আসামি আরিফ সরকার একটি বিদেশি নম্বর থেকে হারুনুর রশিদকে ফোন করে জানান, তিনি বিদেশে আছেন এবং মহসিন মিয়া মসজিদের জন্য কিছু অনুদান নিয়ে তার বাসায় যাবেন। চেয়ারম্যান তাকে পাঠাতে বলেন। পরদিন সকালে মহসিন মিয়া আরও দুইজনকে সঙ্গে নিয়ে তার বাসায় যায়। হারুনুর রশিদ নাস্তা আনতে গিয়ে দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তার সঙ্গীরা তাকে গুলি করে। এরপর তারা মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায় এবং পরে প্রাইভেট কারে করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে দুবাই পালিয়ে যায়।

এই ঘটনায় চেয়ারম্যানের ছেলে আমিনুর রশিদ খান ৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ১০–১২ জনকে আসামি করে শিবপুর থানায় মামলা করেন। আসামিরা হলেন কামারগাঁও এলাকার আরিফ সরকার, ইরান মোল্লা ও হুমায়ুন, পূর্ব সৈয়দনগরের মহসিন মিয়া, মুনসেফেরচরের শাকিল এবং ভেলানগরের গাড়িচালক নূর মোহাম্মদ।

ঘটনার পরপরই নূর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর ৭ মার্চ ফরহাদ হোসেন (৩৪) ও আরিফুল ইসলাম (২৮) নামে আরও দুজনকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়। পিবিআই তদন্তভার পাওয়ার পর জহিরুল ইসলাম নামে আরেক পলাতক আসামিকে বিদেশে পালানোর সময় গ্রেপ্তার করা হয়।

পিবিআই পরে ইন্টারপোলের মাধ্যমে আসামি আরিফ, মহসিন ও হুমায়ুনের অবস্থান শনাক্ত করে। রেড নোটিশ জারির পর ২১ মে দুবাই পুলিশ মহসিন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে।

এ পর্যন্ত মামলাটিতে ১৭ জনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পিবিআইয়ের অতিরিক্ত ডিআইজি এস এম মোস্তাইন হোসেন

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Zahid Hassan

Popular Post

দেওয়ালিয়াবাড়ী আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে মজিবুর রহমানকে চান শিক্ষার্থী-এলাকাবাসী

ইন্টারপোলের মাধ্যমে শিবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান হারুন হত্যার আসামি মহসিনকে আনা হলো দেশে

Update Time : 05:53:42 pm, Tuesday, 5 August 2025

নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ খান হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মহসিন মিয়াকে (৪৬) দুবাই থেকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে দুবাই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে এবং বাংলাদেশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) পিবিআই সদর দপ্তর থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশ পুলিশের একটি প্রতিনিধি দল ১৫ জুলাই দুবাই গিয়ে ২০ জুলাই মহসিন মিয়াকে দেশে নিয়ে আসে। দেশে ফিরেই মহসিন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

২০২৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে হারুনুর রশিদ খান শিবপুর উপজেলার নিজ বাসায় গুলিবিদ্ধ হন। ৯৪ দিন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

হত্যাকাণ্ডের আগের দিন রাতে আসামি আরিফ সরকার একটি বিদেশি নম্বর থেকে হারুনুর রশিদকে ফোন করে জানান, তিনি বিদেশে আছেন এবং মহসিন মিয়া মসজিদের জন্য কিছু অনুদান নিয়ে তার বাসায় যাবেন। চেয়ারম্যান তাকে পাঠাতে বলেন। পরদিন সকালে মহসিন মিয়া আরও দুইজনকে সঙ্গে নিয়ে তার বাসায় যায়। হারুনুর রশিদ নাস্তা আনতে গিয়ে দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তার সঙ্গীরা তাকে গুলি করে। এরপর তারা মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায় এবং পরে প্রাইভেট কারে করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে দুবাই পালিয়ে যায়।

এই ঘটনায় চেয়ারম্যানের ছেলে আমিনুর রশিদ খান ৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ১০–১২ জনকে আসামি করে শিবপুর থানায় মামলা করেন। আসামিরা হলেন কামারগাঁও এলাকার আরিফ সরকার, ইরান মোল্লা ও হুমায়ুন, পূর্ব সৈয়দনগরের মহসিন মিয়া, মুনসেফেরচরের শাকিল এবং ভেলানগরের গাড়িচালক নূর মোহাম্মদ।

ঘটনার পরপরই নূর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর ৭ মার্চ ফরহাদ হোসেন (৩৪) ও আরিফুল ইসলাম (২৮) নামে আরও দুজনকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়। পিবিআই তদন্তভার পাওয়ার পর জহিরুল ইসলাম নামে আরেক পলাতক আসামিকে বিদেশে পালানোর সময় গ্রেপ্তার করা হয়।

পিবিআই পরে ইন্টারপোলের মাধ্যমে আসামি আরিফ, মহসিন ও হুমায়ুনের অবস্থান শনাক্ত করে। রেড নোটিশ জারির পর ২১ মে দুবাই পুলিশ মহসিন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে।

এ পর্যন্ত মামলাটিতে ১৭ জনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পিবিআইয়ের অতিরিক্ত ডিআইজি এস এম মোস্তাইন হোসেন