

*স্টাফ রিপোর্টার: মোঃ ইব্রাহিম হাওলাদার*
ব্লাড ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত *মোসাম্মৎ ফারজানা আক্তার লিজা*। পেশায় তিনি একজন পুলিশ কনস্টেবল।
তার চিকিৎসার জন্য এখন অনেক টাকার প্রয়োজন। কিন্তু সে টাকা পাবে কোথায়?
পরিবারের সব জায়গা-জমি, সহায়-সম্পত্তি বিক্রি করেও আর উপায় নেই। এখন একদম পথে নেমেছে পরিবারটি।
চাকরিও বন্ধ হয়ে গেছে। অফিসে যোগদান করতে পারছেন না।
ডাক্তার বলেছে, তাকে এখনই ভারতে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে। কিন্তু এত টাকা কোথায় পাবে?
লিজা আপু কান্না করে বলেন,
*”আমার দুইটি সন্তান আছে। তারা কান্না করে। আমি আমার এই দুটি সন্তানকে এতিম করে যেতে চাই না। আমি আবারও বাঁচতে চাই। বাঁচার মতো একটা সুযোগ চাই।”*
যে যা পারেন, দয়া করে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন।
আমি ফেসবুকে পোস্ট করেছি, কিন্তু কেউ সাড়া দিচ্ছে না। তাই আবারও পোস্ট করলাম।
সমাজে এখনো অনেক মানবিক মানুষ আছেন। তাদের কাছে যেন এই ছবি ও আবেদনটি পৌঁছে যায়। সরকারি কর্মকর্তাদের নজরেও যেন পড়ে।সবাই দয়া করে শেয়ার করুন।
আর যে যা পারেন এই নাম্বারে সাহায্য পাঠান:
*১০ টাকা, ২০ টাকা, ৫০ টাকা, ৫০০ টাকা, ১০০০ টাকা, ৫০০০ টাকা।*
আপনার একটি শেয়ারের কারণেই হয়তো একজন “মানবতার ফেরিওয়ালা” এগিয়ে আসবে।
*কনস্টেবল মোসাম্মৎ ফারজানা আক্তার লিজাকে বাঁচতে সাহায্য করুন।*লিজা আপুর নিজের কণ্ঠে:*
বর্তমানে সমাজে আমি একজন পুলিশ কনস্টেবল। দীর্ঘদিন ধরে মরণব্যাধি রোগে আক্রান্ত হয়ে ভুগছি। চিকিৎসা করার মতো কোনো টাকা-পয়সা নেই।
আমি পুলিশ কনস্টেবল *মোসাম্মৎ ফারজানা আক্তার লিজা*। আমি এত টাকা কোথায় পাবো? তাই আমি বাঁচতে চাই। বাঁচার মতো সুযোগ চাই। আমার দুটি সন্তান রয়েছে।
*”আমার দুই সন্তানের জন্য হলেও আমি বাঁচতে চাই। আমাকে আপনারা সাহায্য করুন।”*
আমার সন্তান দুটো এখনো অনেক ছোট। তাদের এই ছোট্ট বয়সে এতিম করে যেতে চাই না আমি।”এভাবেই কান্না করছিলেন দুই সন্তানের জননী লিজা।
পরিবারের বিবরণ:
খুলনার ফুলবাড়ী গেট এলাকার বাসিন্দা *ফারজানা আক্তার লিজা*। স্বামী শরিফুল হক। দুই সন্তানকে নিয়ে তাদের ছোট্ট সংসার।
হঠাৎ করেই কঠিন অসুস্থতায় আক্রান্ত হন লিজা।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। শরীরের বিভিন্ন স্থানে প্রচন্ড ব্যাথা, রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা এবং শ্বাসনালীর মধ্যে ছোট ছোট টিউমারের কারণে তিনি ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করতে পারছেন না।
বাংলাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে ভারতে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর *ব্লাড ক্যান্সার স্টেজ-৪* ধরা পড়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
আর্থিক সংকট:*
বর্তমানে তার চিকিৎসা চালিয়ে যেতে বিপুল অর্থের প্রয়োজন। পরিবার জানিয়েছে, চিকিৎসা ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে প্রায় *৫০–৬০ লাখ টাকা* প্রয়োজন হতে পারে।
কিন্তু ইতোমধ্যে চিকিৎসার পেছনে সব টাকা শেষ হয়ে যাওয়ায় এই খরচ বহন করা পরিবারের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য স্বামী শরিফুল হক সব অর্থ ব্যয় করেছেন। চিকিৎসার কারণে তার চাকরিও বন্ধ হয়ে গেছে।
একদিকে অসুস্থ স্ত্রী, অন্যদিকে দুই সন্তান—সব মিলিয়ে পরিবারটি এখন চরম আর্থিক সংকটে।
মানবিক আবেদন:*
লিজার চিকিৎসা চালিয়ে যেতে সমাজের সামর্থ্যবান ও মানবিক মানুষদের কাছে পরিবারের আকুল আবেদন—
যে যার সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন।
আর্থিকভাবে সহযোগিতা করতে না পারলেও অন্তত পোস্টটি শেয়ার করে *মোসাম্মৎ ফারজননা আক্তার লিজার* পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিন।
একটি শেয়ারও হয়তো পৌঁছে দিতে পারে এমন একজনের কাছে, যিনি তার চিকিৎসায় সহযোগিতা করবেন।
*📞 পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ: 01907033393*
পোস্টটি সর্বোচ্চ শেয়ার করুন। কারেন্টের গতিতে ছড়িয়ে দিন।
দেখিয়ে দিন একজন কনস্টেবল *মোসাম্মৎ ফারজানা আক্তার লিজা* কত কষ্টে জীবন কাটাচ্ছে।
তার পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ নেই। আসুন আমরা সবাই মানবিক সাহায্যে এগিয়ে আসি।
তার দুইটি ছোট সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে হলেও শেয়ার করুন। কারেন্টের গতিতে যত বেগে দৌড়াও শেয়ার চাই
স্টাফ রিপোর্টার: মোঃ ইব্রাহিম হাওলাদার*