

মো : ইসমাইল হোসাইন ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রামমোঃ) প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ নামক একটি প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১২ কোটি টাকা আর্থিক তছরুপ ও প্রতারণার অভিযোগে স্থানীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ভুক্তভোগী পরিবারসমূহ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে। মানববন্ধন থেকে ৪ জন জামায়াত নেতার নাম জড়িয়ে ১২ কোটি টাকা উদ্ধার ও বিচারের দাবি জানানো হলেও উক্ত ঘটনাকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও অপপ্রচার’ আখ্যা দিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার মো: আব্দুস ছালাম (সুজা)।
শুক্রবার ফুলবাড়ী থেকে প্রেরিত এক লিখিত বিজ্ঞপ্তিতে ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস ছালাম জানান, ভিশন এন্টারপ্রাইজের আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে অযাচিতভাবে তাঁর নাম জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি যে সকল তথ্য তুলে ধরেন:
একক মালিকানার দলিল: ২০১৫ সাল থেকে ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ বাণিজ্যিকভাবে রফিকুল ইসলামের একক মালিকানায় (Sole Proprietorship) নিবন্ধিত। এর ট্রেড লাইসেন্স, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও যাবতীয় ব্যবসায়িক কাগজপত্রে আব্দুস ছালামের কোনো ব্যবসায়িক কিংবা আইনি সম্পর্ক নেই।
অর্থ লেনদেনের চ্যালেঞ্জ: এই প্রতিষ্ঠানের লেনদেন বা কোনো লভ্যাংশের সাথে তিনি জড়িত নন। এমনকি তাঁর মাধ্যমে ১ টাকার লেনদেন হয়েছে—কেউ এমন প্রমাণ জনসমক্ষে আনলে তা তিনি প্রকাশ্যে মেনে নেওয়ার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন।
সাংগঠনিক অবস্থান: উক্ত ব্যবসায়িক জালিয়াতির অভিযোগের পর জেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে তদন্ত সাপেক্ষে প্রধান অভিযুক্ত রফিকুল ইসলামকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
একপাক্ষিক সংবাদের প্রতিবাদ: আব্দুস ছালাম অভিযোগ করেন, সত্যতা যাচাই ও তাঁর কোনো বক্তব্য না নিয়েই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একপাক্ষিক খবর প্রচার করা হচ্ছে, যা হলুদ সাংবাদিকতার শামিল।
তিনি বলেন, আসল অপরাধীদের চিহ্নিত করে দেশের প্রচলিত আইনে বিচার হোক এবং ভুক্তভোগীরা যেন তাঁদের কষ্টার্জিত টাকা ফেরত পান, এতে তাঁর পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। তবে কোনো অপরাধীকে আড়াল করার উদ্দেশ্যে অথবা রাজনৈতিকভাবে সুনাম ক্ষুণ্ণ করতে অপপ্রচার চালানো হলে তিনি আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবেন বলেও সতর্ক করেন।
মো : ইসমাইল হোসাইন ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রামমোঃ) প্রতিনিধি: