

মোঃ জালাল উদ্দিন,স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ের নির্জন এলাকায় দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের খবর পাওয়া গেছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় জনগণ মো. সাকিব (২০) নামের এক তরুণকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। গ্রেপ্তারকৃত সাকিব সদর উপজেলার উজিরপুর গ্রামের শহীদ মিয়ার ছেলে। ভুক্তভোগী কিশোরী জেলার চান্দিনা উপজেলার বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। ঘটনার শিকার তরুণীর সঙ্গে সিয়াম নামের এক যুবকের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, প্রেমের সুবাদে গত শনিবার প্রেমিকের সাথে ধর্মসাগর পাড় এলাকায় বেড়াতে আসে ওই কিশোরী। সেখান থেকে সিয়াম তাকে কৌশল করে লালমাই পাহাড়ের কোটবাড়ি সাধের মুড়া এলাকার একটি নির্জন পাহাড়ি চূড়ায় নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকেই সিয়ামের চার বন্ধু উপস্থিত ছিল। এরপর তাদের মধ্য থেকে একজন পাহারা দেয়ার দায়িত্বে থাকে এবং সিয়ামসহ বাকি চারজন তরুণীকে রাতভর পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করে। পরদিন ভোরবেলা কিশোরীকে সঙ্গে নিয়ে অভিযুক্তরা পাহাড় থেকে নেমে আসার সময় তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের পথরোধ করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। এ সময় ভুক্তভোগী কিশোরী তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া নির্যাতনের বিষয়টি প্রকাশ করে দিলে চার অভিযুক্ত পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও সাকিব নামে একজনকে ধরে ফেলেন স্থানীয়রা। পরে তাকে পুলিশে দেয়া হয়। এ বিষয়ে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, ঘটনার সংবাদ পাওয়ার পরপরই পুলিশ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং একজনকে আটক করা হয়েছে। নির্যাতিত কিশোরীকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং পলাতক প্রেমিক সিয়ামসহ অভিযুক্ত অন্য চারজনকে গ্রেপ্তারে জেলা পুলিশের একাধিক টিম অভিযান পরিচালনা করছে। শারীরিক পরীক্ষার প্রতিবেদন পেলে বিস্তারিত নিশ্চিত হওয়া যাবে।
মোঃ জালাল উদ্দিন,স্টাফ রিপোর্টার: