Dhaka 12:28 pm, Saturday, 19 September 2026
News Title :
বিডিআরএমজিপি এফএনএফ ফাউন্ডেশনের লিডারশিপ লার্নিং সামিট ও গেট টুগেদার। রাজধানীর ৭ স্থানে ১৪ ককটেল বিস্ফোরণ, থানার সামনে বাসে আগুন। নারীসহ অবরুদ্ধ সাবেক ওসি মাহবুবকে উদ্ধার: দরজা ভেঙে বের করল পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস। প্রায় ২০ বছর ধরে সরকারি জায়গা বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের অভিযোগ। বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে ১২ বছরের শিক্ষার্থী নিখোঁজ। কাশিরাম বেলপুকুরে সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে আলোচনায় শেফালী বেগম। পীরগঞ্জে নজরুল বর্ষে পূরস্কার বিতরণ।  ফুলবাড়ীতে পতিত ওয়াপদা বাঁধে লাউয়ের সবুজ বিপ্লব, স্বাবলম্বী ছয় তরু। সাংবাদিক জনি ফারুককে হেয়প্রতিপন্ন করতে ভিত্তিহীন ভুয়া সংবাদপত্রের কাটিং বানিয়ে অপপ্রচার, তীব্র প্রতিবাদ। ঠাকূরগাঁওয়ে ৭১ সারের ডিলার লাইসেন্সের বিপরীতে ৮৮৯টি আবেদন। 

হবিগঞ্জ-সিলেট রুটে বাস চলাচল নিয়ে অচলাবস্থার শঙ্কা, ৩ জুন থেকে ধর্মঘটের ঘোষণা ‎



‎স্বপন রবি দাশ, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি।।

‎হবিগঞ্জ-সিলেট রুটে বাস চলাচল নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে আগামী ৩ জুন থেকে হবিগঞ্জ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ঘোষণা দিয়েছে জেলা বাস, মিনিবাস, ট্রাক, সিএনজি ও ম্যাক্সি মালিক-শ্রমিক সমন্বয় পরিষদ। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান হলে কর্মসূচি প্রত্যাহারের কথাও জানিয়েছে সংগঠনটি।

‎রোববার (৩১ মে) দুপুরে হবিগঞ্জ পৌর বাস টার্মিনালে হবিগঞ্জ মটর মালিক গ্রুপের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

‎সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মালিক-শ্রমিক নেতারা জানান,১৯৭৪ সাল থেকে হবিগঞ্জের পরিবহনগুলো হবিগঞ্জ- শ্রীমঙ্গল- মৌলভীবাজার-
‎শেরপুর হয়ে সিলেট রুটে যাত্রী পরিবহন সেবা দিয়ে আসছে।

‎২০০৬ সালে নতুন মহাসড়ক চালুর পর রুট ব্যবস্থাপনা নিয়ে জটিলতা দেখা দিলে বিভাগীয় পর্যায়ের এক সমঝোতার মাধ্যমে হবিগঞ্জের বাসগুলোকে ওই রুটে চলাচল এবং কয়েকটি নির্দিষ্ট স্থানে যাত্রী ওঠানামার অনুমতি দেওয়া হয়।

‎তাদের দাবি, দীর্ঘদিন শান্তিপূর্ণভাবে বাস চলাচল অব্যাহত থাকলেও গত বছরের অক্টোবর থেকে মৌলভীবাজার জেলার পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের সঙ্গে নতুন করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতাদের হস্তক্ষেপে বিষয়টির সাময়িক সমাধান হলেও চলতি বছরের ১০ মে শেরপুর এলাকায় হবিগঞ্জের বাস আটকে দেওয়ার ঘটনায় আবারও উত্তেজনা দেখা দেয়।

‎সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সংকট নিরসনে গত ১৫ মে সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের উদ্যোগে দুই জেলার প্রশাসন ও মালিক-শ্রমিক প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো কার্যকর সমাধান হয়নি। পরে হবিগঞ্জে মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করা হলেও প্রশাসনের অনুরোধে তা প্রত্যাহার করা হয়।

‎মালিক-শ্রমিক নেতাদের অভিযোগ,প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে হবিগঞ্জ-সিলেট রুটে তাদের বাস চলাচল বন্ধ থাকায় প্রায় ৬০০ শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। এতে পরিবহন খাতের পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীরাও দুর্ভোগে পড়ছেন।

‎সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ২ জুনের মধ্যে হবিগঞ্জের বাসগুলোকে মৌলভীবাজার হয়ে সিলেট রুটে চলাচলের সুযোগ নিশ্চিত করা না হলে ৩ জুন সকাল ৬টা থেকে হবিগঞ্জ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট শুরু হবে।
‎তবে এ বিষয়ে মৌলভীবাজার জেলার পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে বিরোধের বিষয়ে তাদের অবস্থান জানা সম্ভব হয়নি।

‎পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুত সমাধান না হলে জেলার পরিবহন খাত, শ্রমিক ও সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

বিডিআরএমজিপি এফএনএফ ফাউন্ডেশনের লিডারশিপ লার্নিং সামিট ও গেট টুগেদার।

হবিগঞ্জ-সিলেট রুটে বাস চলাচল নিয়ে অচলাবস্থার শঙ্কা, ৩ জুন থেকে ধর্মঘটের ঘোষণা ‎

Update Time : 04:11:55 am, Sunday, 31 May 2026



‎স্বপন রবি দাশ, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি।।

‎হবিগঞ্জ-সিলেট রুটে বাস চলাচল নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে আগামী ৩ জুন থেকে হবিগঞ্জ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ঘোষণা দিয়েছে জেলা বাস, মিনিবাস, ট্রাক, সিএনজি ও ম্যাক্সি মালিক-শ্রমিক সমন্বয় পরিষদ। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান হলে কর্মসূচি প্রত্যাহারের কথাও জানিয়েছে সংগঠনটি।

‎রোববার (৩১ মে) দুপুরে হবিগঞ্জ পৌর বাস টার্মিনালে হবিগঞ্জ মটর মালিক গ্রুপের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

‎সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মালিক-শ্রমিক নেতারা জানান,১৯৭৪ সাল থেকে হবিগঞ্জের পরিবহনগুলো হবিগঞ্জ- শ্রীমঙ্গল- মৌলভীবাজার-
‎শেরপুর হয়ে সিলেট রুটে যাত্রী পরিবহন সেবা দিয়ে আসছে।

‎২০০৬ সালে নতুন মহাসড়ক চালুর পর রুট ব্যবস্থাপনা নিয়ে জটিলতা দেখা দিলে বিভাগীয় পর্যায়ের এক সমঝোতার মাধ্যমে হবিগঞ্জের বাসগুলোকে ওই রুটে চলাচল এবং কয়েকটি নির্দিষ্ট স্থানে যাত্রী ওঠানামার অনুমতি দেওয়া হয়।

‎তাদের দাবি, দীর্ঘদিন শান্তিপূর্ণভাবে বাস চলাচল অব্যাহত থাকলেও গত বছরের অক্টোবর থেকে মৌলভীবাজার জেলার পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের সঙ্গে নতুন করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতাদের হস্তক্ষেপে বিষয়টির সাময়িক সমাধান হলেও চলতি বছরের ১০ মে শেরপুর এলাকায় হবিগঞ্জের বাস আটকে দেওয়ার ঘটনায় আবারও উত্তেজনা দেখা দেয়।

‎সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সংকট নিরসনে গত ১৫ মে সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের উদ্যোগে দুই জেলার প্রশাসন ও মালিক-শ্রমিক প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো কার্যকর সমাধান হয়নি। পরে হবিগঞ্জে মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করা হলেও প্রশাসনের অনুরোধে তা প্রত্যাহার করা হয়।

‎মালিক-শ্রমিক নেতাদের অভিযোগ,প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে হবিগঞ্জ-সিলেট রুটে তাদের বাস চলাচল বন্ধ থাকায় প্রায় ৬০০ শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। এতে পরিবহন খাতের পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীরাও দুর্ভোগে পড়ছেন।

‎সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ২ জুনের মধ্যে হবিগঞ্জের বাসগুলোকে মৌলভীবাজার হয়ে সিলেট রুটে চলাচলের সুযোগ নিশ্চিত করা না হলে ৩ জুন সকাল ৬টা থেকে হবিগঞ্জ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট শুরু হবে।
‎তবে এ বিষয়ে মৌলভীবাজার জেলার পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে বিরোধের বিষয়ে তাদের অবস্থান জানা সম্ভব হয়নি।

‎পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুত সমাধান না হলে জেলার পরিবহন খাত, শ্রমিক ও সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে।