

মো. আরফান আলী:
ঠাকূরগাঁওয়ে সারের ডিলার হতে আবেদনের হিড়িক। জেলার রাষ্ট্রীয় জরুরি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ৫৭টি ডিলার লাইসেন্সের বিপরীতে আবেদন জমা হয়েছে ৮১৫টি। পাশাপাশি শূন্য ইউনিট সাপেক্ষে আরো ১৪টি লাইসেন্সের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ৭৪টি। সব মিলিয়ে ৭১টি লাইসেন্সের বিপরীতে আবেদন করেছেন ৮৮৯ জন।
জেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, ৫৭টি ডিলার লাইসেন্সের বিপরীতে উপজেলা ভিত্তিক আবেদনের মধ্যে ঠাকূরগাঁও সদরে ২০১টি, পীরগঞ্জে ১২০টি, বালিয়াডাঙ্গীতে ১২৫টি, রাণীশংকৈলে ১৪০টি, হরিপুরে ৮৪টি, ভূল্লীতে ৬৮টি এবং রুহিয়া উপজেলায় ৭৭টি আবেদন জমা হয়েছে।
অন্যদিকে, শূন্য ইউনিট সাপেক্ষে ১৪টি ডিলার লাইসেন্সের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ৭৪টি। এর মধ্যে ঠাকূরগাঁও সদরে ৫৩টি, পীরগঞ্জে ১০টি, বালিয়াডাঙ্গীতে ১টি এবং রুহিয়া উপজেলায় ১০টি আবেদন রয়েছে।
হিসাব অনুযায়ী, ৭১টি লাইসেন্সের বিপরীতে গড়ে প্রতি লাইসেন্সে প্রায় ১২ জনের বেশি আবেদনকারী প্রতিযোগিতা করছেন। ফলে ডিলার নিয়োগে আবেদনকারীদের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মাজেদুল ইসলাম জানান, ২০২৬ সালের সার ডিলার নিয়োগ নীতিমালা অনুযায়ী ধাপে ধাপে আবেদন যাচাই-বাছাই করা হবে।
জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটি প্রাথমিকভাবে আবেদন যাচাই করে উপজেলা কমিটির কাছে পাঠাবে। উপজেলা কমিটি আবেদনকারীদের তথ্য যাচাই করে প্রতিটি ইউনিয়নের জন্য তিনজন যোগ্য প্রার্থীর নাম প্রস্তাব করবে। পরে জেলা কমিটি প্রস্তাবিত প্রার্থীদের তথ্য পুনরায় যাচাই করে তিনজনের তালিকা কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনা কমিটির কাছে পাঠাবে। কেন্দ্রীয় কমিটি আবেদন ও সংশ্লিষ্ট তথ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ইউনিয়ন প্রতি একজনকে মনোনয়ন দেবে। এরপর সাত কার্যদিবসের মধ্যে চূড়ান্ত নিয়োগ অনুমোদনের কথা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
জেলা সার বীজ মনিটরিং কমিটি ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক জানান, আবেদন গুলো জমা হওয়ার পর প্রাথমিক যাচাই-বাছাই চলছে। নিয়মানুসারে ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
উল্লেখ্য যে, গত ১ সেপ্টেম্বর জেলার ৭১ টি সার ডিলারশিপের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা সার-বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ছিল আবেদনের শেষ কার্য দিবস ছিল।
মো. আরফান আলী: