Dhaka 5:14 am, Saturday, 26 September 2026
News Title :
পাঁচবিবির উপজেলা ৮নং আওলায় ইউনিয়নে খেলাধুলায় উৎসাহ দিতে ফুটবল বিতরণ করেন ৬নং ওয়ার্ড মেম্বার প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন।  মাদকমুক্ত ‎আপনাদের সহযোগিতা ছাড়া পুলিশের পক্ষে মাদক নিয়ন্ত্রণে সম্ভব না, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেন। কুড়িগ্রামে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের দায়িত্বশীল সমাবেশ অনুষ্ঠিত। ফরিদপুরে নিখোঁজ নারী উদ্ধার, নারী নির্যাতন, মাদক ও চুরি মামলায় ৩ আসামি গ্রেপ্তার। জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু ও বৈশ্বিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা। জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ। কাহারোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক্স-রে সেবায় ডিজিটাল যুগের সূচনা অ্যানালগ থেকে ডিজিটাল মেশিন, উন্নত সেবা পাবেন কাহারোলবাসী। ‎কাহারোল উপজেলা চত্বরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ধূমপান ও সড়ক পরিবহন আইনে জরিমানা। পাবনায় ‘মাদকাসক্তির ক্ষতিকর প্রভাব ও করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত।

দেশে উৎপাদন হলেও পেট্রোল-অকটেনের দাম বাড়ল কেন?পেট্রোলের চাহিদা পুরোপুরি দেশীয় উৎপাদনে, অকটেনের অর্ধেক আমদানি; তবুও লিটারে বাড়ল ২০ টাকা।

এস এ বাংলা নিউজ ডেস্ক:

দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম। ২১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ১৪০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬০ টাকা এবং অকটেনের দাম ১৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬৫ টাকা করা হয়েছে। অর্থাৎ দুই ধরনের জ্বালানি তেলের দামই লিটারে ২০ টাকা বেড়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে মূল্য সমন্বয়ের কারণ হিসেবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি, আমদানি ব্যয় ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়া, বিপিসির ওপর আর্থিক চাপ এবং প্রতিবেশী দেশে জ্বালানি পাচারের ঝুঁকির কথা বলা হয়েছে।

তবে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর প্রশ্ন উঠেছে—দেশে উৎপাদিত জ্বালানির দামও আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে কেন এতটা সমন্বয় করতে হচ্ছে?

বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে দেশের পেট্রোলের চাহিদা পুরোপুরি দেশীয় উৎপাদন থেকে মেটানো হয়েছে। অন্যদিকে, একই সময়ে দেশে ব্যবহৃত অকটেনের প্রায় ৫০ শতাংশ দেশীয়ভাবে উৎপাদিত এবং বাকি ৫০ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়েছে।

দেশে অকটেন উৎপাদনে গ্যাসক্ষেত্রের উপজাত হিসেবে পাওয়া এবং আমদানি করা কনডেনসেট ব্যবহার করা হয়। ফলে দেশীয়ভাবে অকটেন উৎপাদন হলেও এর কাঁচামালের একটি অংশ আমদানিনির্ভর।

এ অবস্থায় সাধারণ ভোক্তাদের প্রশ্ন—পেট্রোলের চাহিদা যখন দেশীয় উৎপাদন থেকেই পূরণ করা সম্ভব, তখন আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্যবৃদ্ধি পেট্রোলের ভোক্তা পর্যায়ের দামে কতটা প্রভাব ফেলছে? একইভাবে, অকটেনের ক্ষেত্রে দেশীয় উৎপাদন ও আমদানির অংশ অনুযায়ী প্রকৃত খরচের হিসাবই বা কত?

সরকারের নতুন মূল্য কাঠামোয় পেট্রোল ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণে শুধু আন্তর্জাতিক বাজার নয়—দেশীয় উৎপাদন ব্যয়, কাঁচামালের দাম, আমদানি ব্যয়, কর-শুল্ক, পরিবহন, বিপণন ব্যয় ও সরকারি ভর্তুকির পূর্ণাঙ্গ হিসাব বিবেচনায় নেওয়া হয়। তাই মূল্যবৃদ্ধির যৌক্তিকতা বুঝতে এসব খাতের বিস্তারিত হিসাব জনসম্মুখে প্রকাশ করা গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—দেশে উৎপাদিত পেট্রোলের প্রতি লিটারে প্রকৃত উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যয় কত, আর ১৬০ টাকা দামের মধ্যে কোন খাতে কত টাকা যাচ্ছে? একইভাবে দেশীয় ও আমদানিকৃত অকটেনের খরচের পার্থ্যই বা কত?

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

পাঁচবিবির উপজেলা ৮নং আওলায় ইউনিয়নে খেলাধুলায় উৎসাহ দিতে ফুটবল বিতরণ করেন ৬নং ওয়ার্ড মেম্বার প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন। 

দেশে উৎপাদন হলেও পেট্রোল-অকটেনের দাম বাড়ল কেন?পেট্রোলের চাহিদা পুরোপুরি দেশীয় উৎপাদনে, অকটেনের অর্ধেক আমদানি; তবুও লিটারে বাড়ল ২০ টাকা।

Update Time : 08:34:02 am, Thursday, 24 September 2026

এস এ বাংলা নিউজ ডেস্ক:

দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম। ২১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ১৪০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬০ টাকা এবং অকটেনের দাম ১৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬৫ টাকা করা হয়েছে। অর্থাৎ দুই ধরনের জ্বালানি তেলের দামই লিটারে ২০ টাকা বেড়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে মূল্য সমন্বয়ের কারণ হিসেবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি, আমদানি ব্যয় ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়া, বিপিসির ওপর আর্থিক চাপ এবং প্রতিবেশী দেশে জ্বালানি পাচারের ঝুঁকির কথা বলা হয়েছে।

তবে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর প্রশ্ন উঠেছে—দেশে উৎপাদিত জ্বালানির দামও আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে কেন এতটা সমন্বয় করতে হচ্ছে?

বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে দেশের পেট্রোলের চাহিদা পুরোপুরি দেশীয় উৎপাদন থেকে মেটানো হয়েছে। অন্যদিকে, একই সময়ে দেশে ব্যবহৃত অকটেনের প্রায় ৫০ শতাংশ দেশীয়ভাবে উৎপাদিত এবং বাকি ৫০ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়েছে।

দেশে অকটেন উৎপাদনে গ্যাসক্ষেত্রের উপজাত হিসেবে পাওয়া এবং আমদানি করা কনডেনসেট ব্যবহার করা হয়। ফলে দেশীয়ভাবে অকটেন উৎপাদন হলেও এর কাঁচামালের একটি অংশ আমদানিনির্ভর।

এ অবস্থায় সাধারণ ভোক্তাদের প্রশ্ন—পেট্রোলের চাহিদা যখন দেশীয় উৎপাদন থেকেই পূরণ করা সম্ভব, তখন আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্যবৃদ্ধি পেট্রোলের ভোক্তা পর্যায়ের দামে কতটা প্রভাব ফেলছে? একইভাবে, অকটেনের ক্ষেত্রে দেশীয় উৎপাদন ও আমদানির অংশ অনুযায়ী প্রকৃত খরচের হিসাবই বা কত?

সরকারের নতুন মূল্য কাঠামোয় পেট্রোল ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণে শুধু আন্তর্জাতিক বাজার নয়—দেশীয় উৎপাদন ব্যয়, কাঁচামালের দাম, আমদানি ব্যয়, কর-শুল্ক, পরিবহন, বিপণন ব্যয় ও সরকারি ভর্তুকির পূর্ণাঙ্গ হিসাব বিবেচনায় নেওয়া হয়। তাই মূল্যবৃদ্ধির যৌক্তিকতা বুঝতে এসব খাতের বিস্তারিত হিসাব জনসম্মুখে প্রকাশ করা গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—দেশে উৎপাদিত পেট্রোলের প্রতি লিটারে প্রকৃত উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যয় কত, আর ১৬০ টাকা দামের মধ্যে কোন খাতে কত টাকা যাচ্ছে? একইভাবে দেশীয় ও আমদানিকৃত অকটেনের খরচের পার্থ্যই বা কত?