Dhaka 2:14 pm, Friday, 18 September 2026
News Title :
বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে ১২ বছরের শিক্ষার্থী নিখোঁজ। কাশিরাম বেলপুকুরে সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে আলোচনায় শেফালী বেগম। পীরগঞ্জে নজরুল বর্ষে পূরস্কার বিতরণ।  ফুলবাড়ীতে পতিত ওয়াপদা বাঁধে লাউয়ের সবুজ বিপ্লব, স্বাবলম্বী ছয় তরু। সাংবাদিক জনি ফারুককে হেয়প্রতিপন্ন করতে ভিত্তিহীন ভুয়া সংবাদপত্রের কাটিং বানিয়ে অপপ্রচার, তীব্র প্রতিবাদ। ঠাকূরগাঁওয়ে ৭১ সারের ডিলার লাইসেন্সের বিপরীতে ৮৮৯টি আবেদন।  সৈয়দপুরে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত। ঠাকূরগাঁওয়ে গভীর রাতে জুয়ার আসর থেকে পাঁচ পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার।    মমেক হাস পাতালের অগ্নিকান্ড ঘটনাস্হল পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসাইন।  আমদিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইএম মেহেদী হাসানকে ঘিরে আলোচনা।

পুলিশ সদস্যের মেয়ে অপহরণের প্রতিবাদে পাঁচবিবিতে সংবাদ সম্মেলন।

পাঁচবিবি উপজেলা প্রতিনিধিঃজয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে

নাবালিকা মেয়েকে অপহরণের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বগুড়া জেলার আদমদীঘি থানায় কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল মোঃ রানা মাসুদ।

শুক্রবার (১৫ মে) বেলা ১১টায় পাঁচবিবি উপজেলা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
লিখিত বক্তব্যে রানা মাসুদ জানান, গত ১ মে তার নাবালিকা মেয়ে তাসনিয়া অপহরণের শিকার হয়।

এ ঘটনায় তিনি বগুড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এ সেনা সদস্য রেজাউল করিম রেজাসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। মামলার নম্বর-৭৪/২০২৬।
তিনি অভিযোগ করেন, মামলার আসামিরা জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানা ইউনিয়নের সোনাপুর ও রামভদ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা হওয়ায় পাঁচবিবি থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হাফিজ মোঃ রায়হান তাকে ফোন করে জানান তার মেয়েকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং থানায় এসে নিয়ে যেতে বলেন। পরে তিনি থানায় গেলে সেখানে বাগজানা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নাজমুল হক ও আসামিপক্ষ তার সামনে শর্ত দেন যে, অপহরণের বিষয়ে কোনো মামলা করা যাবে না এবং একটি না দাবিনামায় স্বাক্ষর দিয়ে মেয়েকে নিয়ে যেতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে রানা মাসুদ বলেন, “২৪ ঘণ্টার মধ্যে আমার মেয়েকে উদ্ধার করে সকল আসামিকে গ্রেপ্তার করতে হবে। অন্যথায় আমি বিভিন্ন কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো। গত ১২ই মে বগুড়া প্রেসক্লাবেও তিনি মেয়েকে
উদ্ধারের জন্য সাংবাদিকদের সহযোগিতা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন, ওই নিউজটিও বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে,
তবে এ বিষয়ে সেনা সদস্য রেজাউল করিম রেজার সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি জানান আমি চাকরিরত অবস্থায় আছি, অপহরণের বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার শাহনাজ বেগম মুঠোফোনে বলেন, “মামলার কাগজপত্র আমাকে দিন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে ১২ বছরের শিক্ষার্থী নিখোঁজ।

পুলিশ সদস্যের মেয়ে অপহরণের প্রতিবাদে পাঁচবিবিতে সংবাদ সম্মেলন।

Update Time : 08:17:35 pm, Friday, 15 May 2026

পাঁচবিবি উপজেলা প্রতিনিধিঃজয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে

নাবালিকা মেয়েকে অপহরণের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বগুড়া জেলার আদমদীঘি থানায় কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল মোঃ রানা মাসুদ।

শুক্রবার (১৫ মে) বেলা ১১টায় পাঁচবিবি উপজেলা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
লিখিত বক্তব্যে রানা মাসুদ জানান, গত ১ মে তার নাবালিকা মেয়ে তাসনিয়া অপহরণের শিকার হয়।

এ ঘটনায় তিনি বগুড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এ সেনা সদস্য রেজাউল করিম রেজাসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। মামলার নম্বর-৭৪/২০২৬।
তিনি অভিযোগ করেন, মামলার আসামিরা জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানা ইউনিয়নের সোনাপুর ও রামভদ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা হওয়ায় পাঁচবিবি থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হাফিজ মোঃ রায়হান তাকে ফোন করে জানান তার মেয়েকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং থানায় এসে নিয়ে যেতে বলেন। পরে তিনি থানায় গেলে সেখানে বাগজানা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নাজমুল হক ও আসামিপক্ষ তার সামনে শর্ত দেন যে, অপহরণের বিষয়ে কোনো মামলা করা যাবে না এবং একটি না দাবিনামায় স্বাক্ষর দিয়ে মেয়েকে নিয়ে যেতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে রানা মাসুদ বলেন, “২৪ ঘণ্টার মধ্যে আমার মেয়েকে উদ্ধার করে সকল আসামিকে গ্রেপ্তার করতে হবে। অন্যথায় আমি বিভিন্ন কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো। গত ১২ই মে বগুড়া প্রেসক্লাবেও তিনি মেয়েকে
উদ্ধারের জন্য সাংবাদিকদের সহযোগিতা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন, ওই নিউজটিও বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে,
তবে এ বিষয়ে সেনা সদস্য রেজাউল করিম রেজার সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি জানান আমি চাকরিরত অবস্থায় আছি, অপহরণের বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার শাহনাজ বেগম মুঠোফোনে বলেন, “মামলার কাগজপত্র আমাকে দিন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”