Dhaka 3:24 pm, Friday, 18 September 2026
News Title :
বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে ১২ বছরের শিক্ষার্থী নিখোঁজ। কাশিরাম বেলপুকুরে সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে আলোচনায় শেফালী বেগম। পীরগঞ্জে নজরুল বর্ষে পূরস্কার বিতরণ।  ফুলবাড়ীতে পতিত ওয়াপদা বাঁধে লাউয়ের সবুজ বিপ্লব, স্বাবলম্বী ছয় তরু। সাংবাদিক জনি ফারুককে হেয়প্রতিপন্ন করতে ভিত্তিহীন ভুয়া সংবাদপত্রের কাটিং বানিয়ে অপপ্রচার, তীব্র প্রতিবাদ। ঠাকূরগাঁওয়ে ৭১ সারের ডিলার লাইসেন্সের বিপরীতে ৮৮৯টি আবেদন।  সৈয়দপুরে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত। ঠাকূরগাঁওয়ে গভীর রাতে জুয়ার আসর থেকে পাঁচ পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার।    মমেক হাস পাতালের অগ্নিকান্ড ঘটনাস্হল পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসাইন।  আমদিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইএম মেহেদী হাসানকে ঘিরে আলোচনা।

চন্দ্রার জঙ্গলে ডাকাতদের আস্তানা! ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৭ ডাকাত আটক, উদ্ধার দেশীয় অস্ত্র ও মুখোশ

গাজীপুর প্রতিনিধি | মোঃ নাহিদ চৌধুরী

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা কাঁচাবাজারের পূর্ব পাশের জঙ্গলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৭ জনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে চন্দ্রা কাঁচাবাজার ও আশপাশের এলাকায় রাতের বেলায় ছিনতাই ও ডাকাতির আতঙ্ক বিরাজ করছিল। বিশেষ করে মহাসড়ক সংলগ্ন এলাকাগুলোতে গভীর রাতে অপরাধী চক্রের তৎপরতা বেড়ে যায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানতে পারে, চন্দ্রা কাঁচাবাজারের পূর্ব পাশের জঙ্গলে একদল ডাকাত বড় ধরনের অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনা করছে।

পরে অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ৭ জনকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র, ধারালো দা, লোহার রড, মুখোশসহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। অভিযানের সময় আশপাশের এলাকায় কিছুটা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পূর্বে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে কিনা তা যাচাই করা হচ্ছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা সংঘবদ্ধভাবে ডাকাতির পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেছে বলেও জানা গেছে। তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের অন্যতম ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকা হিসেবে পরিচিত চন্দ্রা কাঁচাবাজারে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেন হয়। ফলে দীর্ঘদিন ধরেই বাজারটিকে কেন্দ্র করে অপরাধী চক্রের নজর ছিল। সাম্প্রতিক অভিযানের ফলে ব্যবসায়ীদের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে।

এক ব্যবসায়ী বলেন, “রাতে দোকান বন্ধ করে বাসায় ফিরতে ভয় লাগত। প্রায়ই আশপাশে ছিনতাই কিংবা ডাকাতির খবর শুনতাম। দ্রুত অভিযান চালিয়ে ডাকাতদের আটক করায় আমরা অনেকটাই স্বস্তিতে আছি।”

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারাও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন তৎপরতাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের দাবি, মহাসড়ক ও বাজারকেন্দ্রিক এলাকাগুলোতে নিয়মিত টহল ও নজরদারি বাড়ানো হলে অপরাধ অনেকাংশে কমে আসবে।

ঘটনাটি নিয়ে পুরো গাজীপুর জেলাজুড়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করে ভবিষ্যতে যেন কোনো অপরাধী চক্র মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে ১২ বছরের শিক্ষার্থী নিখোঁজ।

চন্দ্রার জঙ্গলে ডাকাতদের আস্তানা! ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৭ ডাকাত আটক, উদ্ধার দেশীয় অস্ত্র ও মুখোশ

Update Time : 09:07:30 am, Tuesday, 12 May 2026

গাজীপুর প্রতিনিধি | মোঃ নাহিদ চৌধুরী

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা কাঁচাবাজারের পূর্ব পাশের জঙ্গলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৭ জনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে চন্দ্রা কাঁচাবাজার ও আশপাশের এলাকায় রাতের বেলায় ছিনতাই ও ডাকাতির আতঙ্ক বিরাজ করছিল। বিশেষ করে মহাসড়ক সংলগ্ন এলাকাগুলোতে গভীর রাতে অপরাধী চক্রের তৎপরতা বেড়ে যায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানতে পারে, চন্দ্রা কাঁচাবাজারের পূর্ব পাশের জঙ্গলে একদল ডাকাত বড় ধরনের অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনা করছে।

পরে অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ৭ জনকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র, ধারালো দা, লোহার রড, মুখোশসহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। অভিযানের সময় আশপাশের এলাকায় কিছুটা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পূর্বে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে কিনা তা যাচাই করা হচ্ছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা সংঘবদ্ধভাবে ডাকাতির পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেছে বলেও জানা গেছে। তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের অন্যতম ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকা হিসেবে পরিচিত চন্দ্রা কাঁচাবাজারে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেন হয়। ফলে দীর্ঘদিন ধরেই বাজারটিকে কেন্দ্র করে অপরাধী চক্রের নজর ছিল। সাম্প্রতিক অভিযানের ফলে ব্যবসায়ীদের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে।

এক ব্যবসায়ী বলেন, “রাতে দোকান বন্ধ করে বাসায় ফিরতে ভয় লাগত। প্রায়ই আশপাশে ছিনতাই কিংবা ডাকাতির খবর শুনতাম। দ্রুত অভিযান চালিয়ে ডাকাতদের আটক করায় আমরা অনেকটাই স্বস্তিতে আছি।”

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারাও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন তৎপরতাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের দাবি, মহাসড়ক ও বাজারকেন্দ্রিক এলাকাগুলোতে নিয়মিত টহল ও নজরদারি বাড়ানো হলে অপরাধ অনেকাংশে কমে আসবে।

ঘটনাটি নিয়ে পুরো গাজীপুর জেলাজুড়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করে ভবিষ্যতে যেন কোনো অপরাধী চক্র মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে।