Dhaka 4:08 pm, Friday, 18 September 2026
News Title :
বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে ১২ বছরের শিক্ষার্থী নিখোঁজ। কাশিরাম বেলপুকুরে সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে আলোচনায় শেফালী বেগম। পীরগঞ্জে নজরুল বর্ষে পূরস্কার বিতরণ।  ফুলবাড়ীতে পতিত ওয়াপদা বাঁধে লাউয়ের সবুজ বিপ্লব, স্বাবলম্বী ছয় তরু। সাংবাদিক জনি ফারুককে হেয়প্রতিপন্ন করতে ভিত্তিহীন ভুয়া সংবাদপত্রের কাটিং বানিয়ে অপপ্রচার, তীব্র প্রতিবাদ। ঠাকূরগাঁওয়ে ৭১ সারের ডিলার লাইসেন্সের বিপরীতে ৮৮৯টি আবেদন।  সৈয়দপুরে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত। ঠাকূরগাঁওয়ে গভীর রাতে জুয়ার আসর থেকে পাঁচ পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার।    মমেক হাস পাতালের অগ্নিকান্ড ঘটনাস্হল পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসাইন।  আমদিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইএম মেহেদী হাসানকে ঘিরে আলোচনা।

গাজীপুর বাইপাস-টু-বোর্ড বাজারে কিশোর গ্যাংয়ের ত্রাস, নীরব প্রশাসন

স্টাফ রিপোর্টার: আলমগীর হোসেন।।

গাজীপুর মহানগরীর বাইপাস থেকে বোর্ড বাজার পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় ‘শুটার রকি’ ও ‘হিটার খান (বাবু)’ নামে পরিচিত কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতায় জনমনে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এ চক্রটি এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মারামারি ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, গ্যাং সদস্যরা নিয়মিত মাদক সেবন, বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালিয়ে বিকট শব্দ সৃষ্টি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বুলিং ও র‌্যাগিং, ইভটিজিংসহ নানা অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত। এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অস্ত্র প্রদর্শন, মাদক সেবনের ভিডিও এবং অশ্লীল কনটেন্ট ছড়িয়ে তরুণ সমাজকে বিপথে ঠেলে দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গাজীপুর বাইপাস থেকে বোর্ড বাজার এবং আশপাশের এলাকায় এ চক্রটি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রকাশ্যে মহড়া দেয় এবং সুযোগ পেলেই ছিনতাই ও চাঁদাবাজিতে লিপ্ত হয়। তাদের দৌরাত্ম্যে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর এ এলাকায় চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, রকির নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এ গ্যাংটি বিভিন্ন এলাকায় ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী হিসেবেও কাজ করে থাকে। আধিপত্য বিস্তার ও আর্থিক লাভের উদ্দেশ্যে তারা সংঘবদ্ধভাবে অপরাধ পরিচালনা করে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে একাধিক অভিযোগ ও মামলা থাকলেও কার্যকর পদক্ষেপের অভাব রয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি।

এ বিষয়ে সচেতন মহল বলছে, কিশোর গ্যাংয়ের লাগাম টেনে ধরতে না পারলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। বাসন থানা ও গাছা থানাসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো এবং দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে এ কিশোর গ্যাংয়ের মূল হোতাদের আইনের আওতায় এনে এলাকায় শান্তি ও স্বস্তি ফিরিয়ে আনা হোক।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে ১২ বছরের শিক্ষার্থী নিখোঁজ।

গাজীপুর বাইপাস-টু-বোর্ড বাজারে কিশোর গ্যাংয়ের ত্রাস, নীরব প্রশাসন

Update Time : 02:40:00 am, Sunday, 19 April 2026

স্টাফ রিপোর্টার: আলমগীর হোসেন।।

গাজীপুর মহানগরীর বাইপাস থেকে বোর্ড বাজার পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় ‘শুটার রকি’ ও ‘হিটার খান (বাবু)’ নামে পরিচিত কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতায় জনমনে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এ চক্রটি এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মারামারি ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, গ্যাং সদস্যরা নিয়মিত মাদক সেবন, বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালিয়ে বিকট শব্দ সৃষ্টি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বুলিং ও র‌্যাগিং, ইভটিজিংসহ নানা অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত। এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অস্ত্র প্রদর্শন, মাদক সেবনের ভিডিও এবং অশ্লীল কনটেন্ট ছড়িয়ে তরুণ সমাজকে বিপথে ঠেলে দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গাজীপুর বাইপাস থেকে বোর্ড বাজার এবং আশপাশের এলাকায় এ চক্রটি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রকাশ্যে মহড়া দেয় এবং সুযোগ পেলেই ছিনতাই ও চাঁদাবাজিতে লিপ্ত হয়। তাদের দৌরাত্ম্যে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর এ এলাকায় চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, রকির নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এ গ্যাংটি বিভিন্ন এলাকায় ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী হিসেবেও কাজ করে থাকে। আধিপত্য বিস্তার ও আর্থিক লাভের উদ্দেশ্যে তারা সংঘবদ্ধভাবে অপরাধ পরিচালনা করে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে একাধিক অভিযোগ ও মামলা থাকলেও কার্যকর পদক্ষেপের অভাব রয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি।

এ বিষয়ে সচেতন মহল বলছে, কিশোর গ্যাংয়ের লাগাম টেনে ধরতে না পারলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। বাসন থানা ও গাছা থানাসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো এবং দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে এ কিশোর গ্যাংয়ের মূল হোতাদের আইনের আওতায় এনে এলাকায় শান্তি ও স্বস্তি ফিরিয়ে আনা হোক।