Dhaka 12:45 am, Sunday, 23 August 2026
News Title :
বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের মেয়াদোত্তীর্ণ ৭৫ উপজেলা শাখা কমিটির তালিকা প্রকাশ শিবচরের মাদবরচর ইউনিয়নের বাখরের কান্দি হইতে নারীর মৃতদেহ উদ্ধার হওয়া ক্লুলেস মামলার আসামী গ্রেফতার ও আলামত উদ্ধার।  উচ্ছেদ নয়, পুনর্বাসন চাই: জামালপুরে বেজার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে পৃথক অভিযানে ভারতীয় মাদকদ্রব্য জব্দ ‎জমি সংক্রান্ত বিরোধে  মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে ভুক্তভোগীর পাল্টা সংবাদ সম্মেলন ভাঙ্গায় অবৈধ ড্রেজারবিরোধী অভিযান, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ১৬ জন সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকের বদলি মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে দেশের অন্যতম প্রধান অঞ্চল রাজশাহী,স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে ২৫ জেলায়, বাড়ছে কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। সাংবাদিক ছোটন সরদারকে হেনস্তা ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে রাজশাহীতে মানববন্ধন বান্দরবানে সন্ত্রাসী গোষ্ঠির চাঁদাবাজী বন্ধের দাবীতে মানববন্ধন 

শিবচরের মাদবরচর ইউনিয়নের বাখরের কান্দি হইতে নারীর মৃতদেহ উদ্ধার হওয়া ক্লুলেস মামলার আসামী গ্রেফতার ও আলামত উদ্ধার। 

নাসির উদ্দিন লিটন, স্টাফ রিপোর্টার্স –

(২১ আগস্ট) সকাল ১১.৪৫ মিনিটের সময় শিবচর থানা পুলিশের প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে জানান যে,

গত ১৯/০৮/২০২৬খ্রিঃ তারিখ সকাল অনুমান ১১:৩০ ঘটিকার সময় মাদারীপুর জেলাধীন শিবচর উপজেলার মাদবরচর ইউনিয়নের বাখরেরকান্দি সাকিনস্থ খান বাড়ী দারুস সুন্নাহ ইসলামিয়া মাদ্রাসার অপর পাশে জনৈক বিল্লাল শিকদার গং এর মালিকানাধীন ভূমিতে ঝোপের পাশে অজ্ঞাত এক নারীর মৃত্যু দেহ পড়ে থাকার সংবাদ শিবচর থানায় আসে। সংবাদের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিকভাবেই শিবচর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং অজ্ঞাত নারীর নাম-ঠিকানা শনাক্ত করা হয়। ডিসিস্ট এর নাম-ঠিকানা শনাক্তপূর্বক তার পরিবারকে খবর দেয়া হয়। পরবর্তীতে ডিসিস্ট শাম্পা খাতুন এর বাবা ছামরুল ইসলাম, গ্রাম-আট্রিকা, পোস্ট-বেরিলাবাড়ি, থানা-লালপুর, জেলা-নাটোর,

শিবচর থানায় উপস্থিত হন। শাম্পা খাতুনের বাবা ছামরুল ইসলাম বাদী হয়ে জানান যে, ডিসিস্ট শাম্পা খাতুন তার বড় মেয়ে। গত ০৩ বছর পূর্বে জনৈক মোঃ শাহাবুদ্দিন হাওলাদার, পিতা-ছিদ্দিক হাওলাদার, সাং-বড় মেহের, থানা ও জেলা-মাদারীপুর এর সহিত তার মেয়ে শাম্পা খাতুন (২৮) এর সহিত ইসলামী শরা শরিয়ত মোতাবেক বিবাহ হয়। বিবাহের পর স্বামীর সহিত ঘর সংসার করাকালিন আমার মেয়ের একটি পুত্র সন্তান হয়। যার নাম আবির (১)। গত ইং-১৯/০৮/২০২৬ তারিখ বিকাল অনুমান ০৪:৩০ ঘটিকার সময় তাদের এলাকার গ্রাম পুলিশ এর মাধ্যমে জানতে পারেন যে, ইং-১৯/০৮/২০২৬ তারিখ সকাল অনুমান ১১:৩০ ঘটিকার সময় আমার মেয়ে শাম্পা খাতুন এর লাশ শিবচর থানায় পাওয়া গিয়াছে। তার নাতনি আবিরকে (১) খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। পরবর্তীতে গত ২০/০৮/২০২৬খ্রিঃ তারিখ ছামরুল ইসলাম বাদী হয়ে শিবচর থানায় এজাহার দায়ের করলে শিবচর থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু হয়।

মাদারীপুর জেলার পুলিশ সুপার মোঃ হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় মোঃ সালাহ উদ্দিন কাদের, সহকারী পুলিশ সুপার, শিবচর সার্কেলের নেতৃত্বে শিবচর থানা পুলিশ ও র্যাব-৮ মাদারীপুর তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা এবং বিভিন্ন মাধ্যমে হত্যাকারীকে শনাক্ত ও অবস্থান নির্নয় করার জন্য শিবচর ও রাজৈর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযান পরিচালনায় সন্দেহভাজন ফারুক, পিতা-রতন মোল্লা, স্থায়ী সাং-জয়সোমা, পোস্ট-তেরখাদা, থানা-তেরখাদা, জেলা-খুলনার, এ/পি সাং-বাখরের কান্দি, ইউপি-মাদবরচর, থানা-শিবচর, জেলা-মাদারীপুর এর বাসা তল্লাশী করা হয়। তল্লাশীতে আসামী ফারুক এর নিকট হতে ভিকটিম শাম্পার ব্যবহৃত স্বর্ণের নাক পিন ও রোপার গলার চেন, বাসার চুলা হতে ডিসিস্ট শাম্পা খাতুন এর ওড়না পোড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায় ও ডিসিস্ট এর এক জোড়া জোতা উদ্ধার করা হয়। আসামী ফারুক ডিসিস্ট শাম্পা খাতুন এর ছেলে আবির (১) কে আড়িয়াল খা ব্রীজ হতে নদীতে ফেলে দিয়ে হত্যা করেছে মর্মে প্রাথমিক স্বীকার করে। বাচ্চার লাশ উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

মাদারীপুর জেলা পুলিশ হত্যা, ডাকাতি, চাঁদাবাজি , টেন্ডারবাজি, বালু উত্তোলনকারী, আদম ব্যবসায়ী ও ছিনতাই সহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে এবং আগামী দিনগুলোতেও এই অভিযান অব্যাহত আছে এবং অব্যাহত থাকবেই বলে জানান পুলিশ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের মেয়াদোত্তীর্ণ ৭৫ উপজেলা শাখা কমিটির তালিকা প্রকাশ

শিবচরের মাদবরচর ইউনিয়নের বাখরের কান্দি হইতে নারীর মৃতদেহ উদ্ধার হওয়া ক্লুলেস মামলার আসামী গ্রেফতার ও আলামত উদ্ধার। 

Update Time : 10:10:02 pm, Friday, 21 August 2026

নাসির উদ্দিন লিটন, স্টাফ রিপোর্টার্স –

(২১ আগস্ট) সকাল ১১.৪৫ মিনিটের সময় শিবচর থানা পুলিশের প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে জানান যে,

গত ১৯/০৮/২০২৬খ্রিঃ তারিখ সকাল অনুমান ১১:৩০ ঘটিকার সময় মাদারীপুর জেলাধীন শিবচর উপজেলার মাদবরচর ইউনিয়নের বাখরেরকান্দি সাকিনস্থ খান বাড়ী দারুস সুন্নাহ ইসলামিয়া মাদ্রাসার অপর পাশে জনৈক বিল্লাল শিকদার গং এর মালিকানাধীন ভূমিতে ঝোপের পাশে অজ্ঞাত এক নারীর মৃত্যু দেহ পড়ে থাকার সংবাদ শিবচর থানায় আসে। সংবাদের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিকভাবেই শিবচর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং অজ্ঞাত নারীর নাম-ঠিকানা শনাক্ত করা হয়। ডিসিস্ট এর নাম-ঠিকানা শনাক্তপূর্বক তার পরিবারকে খবর দেয়া হয়। পরবর্তীতে ডিসিস্ট শাম্পা খাতুন এর বাবা ছামরুল ইসলাম, গ্রাম-আট্রিকা, পোস্ট-বেরিলাবাড়ি, থানা-লালপুর, জেলা-নাটোর,

শিবচর থানায় উপস্থিত হন। শাম্পা খাতুনের বাবা ছামরুল ইসলাম বাদী হয়ে জানান যে, ডিসিস্ট শাম্পা খাতুন তার বড় মেয়ে। গত ০৩ বছর পূর্বে জনৈক মোঃ শাহাবুদ্দিন হাওলাদার, পিতা-ছিদ্দিক হাওলাদার, সাং-বড় মেহের, থানা ও জেলা-মাদারীপুর এর সহিত তার মেয়ে শাম্পা খাতুন (২৮) এর সহিত ইসলামী শরা শরিয়ত মোতাবেক বিবাহ হয়। বিবাহের পর স্বামীর সহিত ঘর সংসার করাকালিন আমার মেয়ের একটি পুত্র সন্তান হয়। যার নাম আবির (১)। গত ইং-১৯/০৮/২০২৬ তারিখ বিকাল অনুমান ০৪:৩০ ঘটিকার সময় তাদের এলাকার গ্রাম পুলিশ এর মাধ্যমে জানতে পারেন যে, ইং-১৯/০৮/২০২৬ তারিখ সকাল অনুমান ১১:৩০ ঘটিকার সময় আমার মেয়ে শাম্পা খাতুন এর লাশ শিবচর থানায় পাওয়া গিয়াছে। তার নাতনি আবিরকে (১) খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। পরবর্তীতে গত ২০/০৮/২০২৬খ্রিঃ তারিখ ছামরুল ইসলাম বাদী হয়ে শিবচর থানায় এজাহার দায়ের করলে শিবচর থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু হয়।

মাদারীপুর জেলার পুলিশ সুপার মোঃ হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় মোঃ সালাহ উদ্দিন কাদের, সহকারী পুলিশ সুপার, শিবচর সার্কেলের নেতৃত্বে শিবচর থানা পুলিশ ও র্যাব-৮ মাদারীপুর তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা এবং বিভিন্ন মাধ্যমে হত্যাকারীকে শনাক্ত ও অবস্থান নির্নয় করার জন্য শিবচর ও রাজৈর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযান পরিচালনায় সন্দেহভাজন ফারুক, পিতা-রতন মোল্লা, স্থায়ী সাং-জয়সোমা, পোস্ট-তেরখাদা, থানা-তেরখাদা, জেলা-খুলনার, এ/পি সাং-বাখরের কান্দি, ইউপি-মাদবরচর, থানা-শিবচর, জেলা-মাদারীপুর এর বাসা তল্লাশী করা হয়। তল্লাশীতে আসামী ফারুক এর নিকট হতে ভিকটিম শাম্পার ব্যবহৃত স্বর্ণের নাক পিন ও রোপার গলার চেন, বাসার চুলা হতে ডিসিস্ট শাম্পা খাতুন এর ওড়না পোড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায় ও ডিসিস্ট এর এক জোড়া জোতা উদ্ধার করা হয়। আসামী ফারুক ডিসিস্ট শাম্পা খাতুন এর ছেলে আবির (১) কে আড়িয়াল খা ব্রীজ হতে নদীতে ফেলে দিয়ে হত্যা করেছে মর্মে প্রাথমিক স্বীকার করে। বাচ্চার লাশ উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

মাদারীপুর জেলা পুলিশ হত্যা, ডাকাতি, চাঁদাবাজি , টেন্ডারবাজি, বালু উত্তোলনকারী, আদম ব্যবসায়ী ও ছিনতাই সহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে এবং আগামী দিনগুলোতেও এই অভিযান অব্যাহত আছে এবং অব্যাহত থাকবেই বলে জানান পুলিশ।