Dhaka 6:56 am, Friday, 18 September 2026
News Title :
সাংবাদিক জনি ফারুককে হেয়প্রতিপন্ন করতে ভিত্তিহীন ভুয়া সংবাদপত্রের কাটিং বানিয়ে অপপ্রচার, তীব্র প্রতিবাদ। ঠাকূরগাঁওয়ে ৭১ সারের ডিলার লাইসেন্সের বিপরীতে ৮৮৯টি আবেদন।  সৈয়দপুরে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত। ঠাকূরগাঁওয়ে গভীর রাতে জুয়ার আসর থেকে পাঁচ পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার।    মমেক হাস পাতালের অগ্নিকান্ড ঘটনাস্হল পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসাইন।  আমদিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইএম মেহেদী হাসানকে ঘিরে আলোচনা। বাঘায় ১২৫ বোতল ফেনসিডিলসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার। পাবনার ফরিদপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ঘি উৎপাদন, ২ লাখ টাকা জরিমানা। জবই বিল প্রকল্পে নিষেধাজ্ঞা শেষে মান্দার তিন বিলে ফের মৎস্য আহরণ শুরু। পাবনায় নিখোঁজের ৭দিন পর কামরুন্নাহার কলির খণ্ডবিখণ্ড লাশ উদ্ধার।

উচ্ছেদের দুই বছর না পেরোতেই আবারও দখলে বনভূমি, বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ

এস এ বাংলা নিউজ, ডেস্ক রিপোর্ট

গাজীপুরের কালিয়াকৈর রেঞ্জের মৌচাক বন বিটের আওতাধীন ভান্নারা সাব-বিটের ভান্নারা মৌজায় উচ্ছেদকৃত বনভূমি পুনরায় দখল করে অস্থায়ী দোকানপাট নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, বন বিভাগের নিয়মিত তদারকির অভাব এবং কিছু অসাধু ব্যক্তির সহযোগিতায় আবারও বনভূমি দখলের ঘটনা ঘটছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে ভান্নারা মৌজায় বনের জমি দখল করে গড়ে ওঠা বটতলা বনফুল বাজারে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে বন বিভাগ। অভিযানে দখলমুক্ত হওয়া জমিতে খুঁটি গেড়ে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ এবং বনায়নের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়। এরপর দীর্ঘদিন সেখানে কোনো দোকানপাট ছিল না।

তবে সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা গেছে, কাঁটাতারের বেড়া কেটে খুঁটি সরিয়ে আবারও সড়কের পাশে সারিবদ্ধভাবে টিন ও ত্রিপল দিয়ে ছোট-বড় অস্থায়ী দোকানঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব দোকানঘর বন বিভাগের জমির ওপর নির্মাণ করা হয়েছে।

এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, ভান্নারা সাব-বিটের গার্ড আমিনুল, জামাল ও মোবারকের যোগসাজশে পুনরায় দখলের ঘটনা ঘটছে। যদিও এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের ভাষ্য, শুধু উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না; বনভূমি রক্ষায় নিয়মিত নজরদারি, বেড়ার রক্ষণাবেক্ষণ এবং দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় বনভূমি রক্ষা করা সম্ভব হবে না।

এ বিষয়ে মৌচাক বিটের ফরেস্ট অফিসার শাজাহানের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “এই দায়িত্ব আপনাদের কে দিয়েছে? পারলে সবকিছু ভেঙে দেন।” এছাড়া তিনি সাংবাদিকদের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন বলেও অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্টরা।

বন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সরকার যখন বিভিন্ন কার্যক্রম জোরদার করার কথা বলছে, তখন মাঠপর্যায়ে এমন অভিযোগ ও বনভূমি পুনর্দখলের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সচেতন নাগরিকরা। তারা বিষয়টি তদন্ত করে দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

সাংবাদিক জনি ফারুককে হেয়প্রতিপন্ন করতে ভিত্তিহীন ভুয়া সংবাদপত্রের কাটিং বানিয়ে অপপ্রচার, তীব্র প্রতিবাদ।

উচ্ছেদের দুই বছর না পেরোতেই আবারও দখলে বনভূমি, বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ

Update Time : 01:37:48 am, Friday, 31 July 2026

এস এ বাংলা নিউজ, ডেস্ক রিপোর্ট

গাজীপুরের কালিয়াকৈর রেঞ্জের মৌচাক বন বিটের আওতাধীন ভান্নারা সাব-বিটের ভান্নারা মৌজায় উচ্ছেদকৃত বনভূমি পুনরায় দখল করে অস্থায়ী দোকানপাট নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, বন বিভাগের নিয়মিত তদারকির অভাব এবং কিছু অসাধু ব্যক্তির সহযোগিতায় আবারও বনভূমি দখলের ঘটনা ঘটছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে ভান্নারা মৌজায় বনের জমি দখল করে গড়ে ওঠা বটতলা বনফুল বাজারে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে বন বিভাগ। অভিযানে দখলমুক্ত হওয়া জমিতে খুঁটি গেড়ে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ এবং বনায়নের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়। এরপর দীর্ঘদিন সেখানে কোনো দোকানপাট ছিল না।

তবে সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা গেছে, কাঁটাতারের বেড়া কেটে খুঁটি সরিয়ে আবারও সড়কের পাশে সারিবদ্ধভাবে টিন ও ত্রিপল দিয়ে ছোট-বড় অস্থায়ী দোকানঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব দোকানঘর বন বিভাগের জমির ওপর নির্মাণ করা হয়েছে।

এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, ভান্নারা সাব-বিটের গার্ড আমিনুল, জামাল ও মোবারকের যোগসাজশে পুনরায় দখলের ঘটনা ঘটছে। যদিও এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের ভাষ্য, শুধু উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না; বনভূমি রক্ষায় নিয়মিত নজরদারি, বেড়ার রক্ষণাবেক্ষণ এবং দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় বনভূমি রক্ষা করা সম্ভব হবে না।

এ বিষয়ে মৌচাক বিটের ফরেস্ট অফিসার শাজাহানের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “এই দায়িত্ব আপনাদের কে দিয়েছে? পারলে সবকিছু ভেঙে দেন।” এছাড়া তিনি সাংবাদিকদের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন বলেও অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্টরা।

বন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সরকার যখন বিভিন্ন কার্যক্রম জোরদার করার কথা বলছে, তখন মাঠপর্যায়ে এমন অভিযোগ ও বনভূমি পুনর্দখলের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সচেতন নাগরিকরা। তারা বিষয়টি তদন্ত করে দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন।