Dhaka 10:14 am, Friday, 18 September 2026
News Title :
সাংবাদিক জনি ফারুককে হেয়প্রতিপন্ন করতে ভিত্তিহীন ভুয়া সংবাদপত্রের কাটিং বানিয়ে অপপ্রচার, তীব্র প্রতিবাদ। ঠাকূরগাঁওয়ে ৭১ সারের ডিলার লাইসেন্সের বিপরীতে ৮৮৯টি আবেদন।  সৈয়দপুরে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত। ঠাকূরগাঁওয়ে গভীর রাতে জুয়ার আসর থেকে পাঁচ পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার।    মমেক হাস পাতালের অগ্নিকান্ড ঘটনাস্হল পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসাইন।  আমদিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইএম মেহেদী হাসানকে ঘিরে আলোচনা। বাঘায় ১২৫ বোতল ফেনসিডিলসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার। পাবনার ফরিদপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ঘি উৎপাদন, ২ লাখ টাকা জরিমানা। জবই বিল প্রকল্পে নিষেধাজ্ঞা শেষে মান্দার তিন বিলে ফের মৎস্য আহরণ শুরু। পাবনায় নিখোঁজের ৭দিন পর কামরুন্নাহার কলির খণ্ডবিখণ্ড লাশ উদ্ধার।

পাটগ্রামে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি দখলের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন।

আব্দুস সামাদ  লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

লালমনিরহাটের পাটগ্রামে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে আনারুল ইসলাম নাজুর কন্যার বিরুদ্ধে।

২১ জুন রবিবার সংবাদ সম্মেলনে পাঠ করে বলেন

আমি বদরুল আলম মজুমদার, পিতা: মৃত মমতাজুল হক মজুমদার, সাং: জেএমসি পাড়া, রসুলগঞ্জ, পাটগ্রাম, লালমনিরহাট। আজ আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি আমার আইনসম্মতভাবে ক্রয়কৃত অবশিষ্ট ৩.৩১ শতাংশ জমির সুরক্ষা ও আইনের মর্যাদা রক্ষার আবেদন নিয়ে। আমি নুরুন্নবী ইসলামের কাছ থেকে মোট ১২.৩১ শতাংশ জমি ক্রয় করেছিলাম। পরবর্তীতে আমি ওই জমি থেকে উপজেলা চেয়ারম্যান জনাব রুহুল আমিন বাবুলের কাছে ২ শতাংশ, জনাব নজরুল ইসলাম রবিনের কাছে ৩ শতাংশ এবং জনাব আবুল কালাম আজাদের কাছে ৪ শতাংশ-সর্বমোট ৯ শতাংশ জমি বিক্রি করি। বর্তমানে অবশিষ্ট ৩.৩১ শতাংশ জমি আমার মালিকানাধীন এবং দখলে রয়েছে। জমির তফসিল (অবশিষ্ট ৩.৩১ শতাংশের): মৌজা: রসুলগঞ্জ বিএস খতিয়ান নং: ১৬৬ মিউটেশন খতিয়ান নং: ২৬৯১ বিএস দাগ নং: ৩০৪৩ জমির পরিমাণ: ৩.৩১ শতাংশ মহামান্য আদালত কর্তৃক এই জমিতে ১৪৪ ধারা জারি থাকা সত্ত্বেও, আনারুল ইসলাম নাজুর কন্যা, আফরোজ আক্তার যার পরিবারের মুক্তিযোদ্ধা সনদ সম্প্রতি সরকার কর্তৃক বাতিল ঘোষিত হয়েছে, তিনি ও তার সহযোগীরা গায়ের জোরে এই জমিতে বেড়া দিয়ে অবৈধভাবে জবরদখল করে রেখেছেন।

একজন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদধারী ব্যক্তির পরিবারের এহেন বেআইনি ও ধৃষ্টতাপূর্ণ কর্মকাণ্ড আইনের শাসনের প্রতি চরম অবজ্ঞা। একজন আইনমান্যকারী নাগরিক হিসেবে আমি প্রশাসনের কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি: ১. মহামান্য আদালতের ১৪৪ ধারা অমান্যকারীদের এবং সরকারি গেজেট অনুযায়ী সনদ বাতিল হওয়া ব্যক্তির পরিবারের অবৈধ দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। ২. উক্ত জমিতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। ৩. আমার এই ক্রয়কৃত অবশিষ্ট ৩.৩১ শতাংশ ব্যক্তিগত সম্পত্তি আমি যাতে নির্বিঘ্নে ভোগদখল করতে পারি, সে বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছি। আমি কোনো বিশৃঙ্খলা চাই না, আমি শুধু আইনের সুরক্ষা চাই। আশা করি প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

সাংবাদিক জনি ফারুককে হেয়প্রতিপন্ন করতে ভিত্তিহীন ভুয়া সংবাদপত্রের কাটিং বানিয়ে অপপ্রচার, তীব্র প্রতিবাদ।

পাটগ্রামে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি দখলের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন।

Update Time : 10:16:21 am, Sunday, 21 June 2026

আব্দুস সামাদ  লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

লালমনিরহাটের পাটগ্রামে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে আনারুল ইসলাম নাজুর কন্যার বিরুদ্ধে।

২১ জুন রবিবার সংবাদ সম্মেলনে পাঠ করে বলেন

আমি বদরুল আলম মজুমদার, পিতা: মৃত মমতাজুল হক মজুমদার, সাং: জেএমসি পাড়া, রসুলগঞ্জ, পাটগ্রাম, লালমনিরহাট। আজ আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি আমার আইনসম্মতভাবে ক্রয়কৃত অবশিষ্ট ৩.৩১ শতাংশ জমির সুরক্ষা ও আইনের মর্যাদা রক্ষার আবেদন নিয়ে। আমি নুরুন্নবী ইসলামের কাছ থেকে মোট ১২.৩১ শতাংশ জমি ক্রয় করেছিলাম। পরবর্তীতে আমি ওই জমি থেকে উপজেলা চেয়ারম্যান জনাব রুহুল আমিন বাবুলের কাছে ২ শতাংশ, জনাব নজরুল ইসলাম রবিনের কাছে ৩ শতাংশ এবং জনাব আবুল কালাম আজাদের কাছে ৪ শতাংশ-সর্বমোট ৯ শতাংশ জমি বিক্রি করি। বর্তমানে অবশিষ্ট ৩.৩১ শতাংশ জমি আমার মালিকানাধীন এবং দখলে রয়েছে। জমির তফসিল (অবশিষ্ট ৩.৩১ শতাংশের): মৌজা: রসুলগঞ্জ বিএস খতিয়ান নং: ১৬৬ মিউটেশন খতিয়ান নং: ২৬৯১ বিএস দাগ নং: ৩০৪৩ জমির পরিমাণ: ৩.৩১ শতাংশ মহামান্য আদালত কর্তৃক এই জমিতে ১৪৪ ধারা জারি থাকা সত্ত্বেও, আনারুল ইসলাম নাজুর কন্যা, আফরোজ আক্তার যার পরিবারের মুক্তিযোদ্ধা সনদ সম্প্রতি সরকার কর্তৃক বাতিল ঘোষিত হয়েছে, তিনি ও তার সহযোগীরা গায়ের জোরে এই জমিতে বেড়া দিয়ে অবৈধভাবে জবরদখল করে রেখেছেন।

একজন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদধারী ব্যক্তির পরিবারের এহেন বেআইনি ও ধৃষ্টতাপূর্ণ কর্মকাণ্ড আইনের শাসনের প্রতি চরম অবজ্ঞা। একজন আইনমান্যকারী নাগরিক হিসেবে আমি প্রশাসনের কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি: ১. মহামান্য আদালতের ১৪৪ ধারা অমান্যকারীদের এবং সরকারি গেজেট অনুযায়ী সনদ বাতিল হওয়া ব্যক্তির পরিবারের অবৈধ দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। ২. উক্ত জমিতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। ৩. আমার এই ক্রয়কৃত অবশিষ্ট ৩.৩১ শতাংশ ব্যক্তিগত সম্পত্তি আমি যাতে নির্বিঘ্নে ভোগদখল করতে পারি, সে বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছি। আমি কোনো বিশৃঙ্খলা চাই না, আমি শুধু আইনের সুরক্ষা চাই। আশা করি প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে।