Dhaka 7:58 pm, Thursday, 29 October 2026
News Title :
সাঁথিয়ায় মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি নাজিবুর রহমান মোমেন। মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত উন্নত মৌগাছি গঠনে চেয়ারম্যান মেজর আলী বিশ্বাসের প্রশংসনীয় পদক্ষেপ পীরগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।  পাঁচবিবিতে অটোভ্যান চালককে হত্যা করে অটো ছিনতাই ‎বকশীগঞ্জে ঝোপের আড়ালে মিলল গৃহবধূর পচাগলা লাশ, আটক ৪ ঘোড়াঘাটে মায়ের সাথে অভিমান করে কিশোরীর আত্মহত্যা ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি ঈশ্বরগঞ্জ থানার মো. সাজ্জাদ রোমন পুংগলী ইউনিয়ন যুব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে খেলার সামগ্রী বিতরণ। কুলিয়ারচরে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ বিষয়ক অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত কেরানীগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ৩ জনের কারাদণ্ড ও জরিমানা

ফেনী পরশুরামে মাদক দিয়ে রাকিব নামে এক যুবকে পাসানোর চেষ্টা।

নিজস্ব প্রতিনিধি :

ফেনীর পরশুরাম থানার বাউরখুমার বাসিন্দা পিতা মারা হারা মোহাম্মদ রাকিব।পিতা-মাতা না থাকায় বড় বোন রত্না মনি শান্তার সাথে থাকেন মোহাম্মদ রাকিব।

স্বামী প্রবাসে থাকা দুই সন্তান কে নিয়ে রত্না ছোট ভাইদের নিয়ে বসবাস করেন ফেনীর পরশুরাম থানার বাউরখুমা গ্রামে।

স্থানীয় কিছু সন্ত্রাসী রাকিবের বোনের সাথে বসত ভিটার জায়গায় নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। জায়গার বিরোধিতাকে কেন্দ্র করে তার বোনের নিকট সন্ত্রাসীরা চাঁদা দাবি করে ৩,০০,০০০ লাখ টাকা।চাঁদা দিতে রাজি না হওয়া তাদের পরিবার কে প্রানে মেরে পেলার হুমকি ও মাদক কারবারি মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার বলেন পরবর্তী আমরা আদালতে একটি মামলা রজু করি।মামলা নং ০৭/০৮/২০২৬ মোকদ্দমা ধারা ১৪৩/৩৫৪/৩৮৫/৫০৯/৫০৬। মামলা আসামী করা হয় ১.মোহাম্মদ তসলিম পিতা- জার আহাম্মদ, ২.বোরহান উদ্দিন পিতা-মো:রফিক,৩.জাহাদন পিতা-এনাম ৪.মামুন পিতা-আবদুল করিম ৫.আলী পিতা- সৈয়দ হোসেন ৬.লাদেন পিতা- মানু মিয়া ৭.বাদশা পিতা -শিপন ৮.ইউছুপ পিতা-জয়নাল আবদিন, ৯.মুরাদ পিতা- খোকন মিয়া ১০.রিদয় পিতা- মজিবুল হক

ভুক্তভোগী আরিফ আরো জানান চাঁদাবাজির মামলাকে কেন্দ্র করে গত ১৫ আগষ্ট ২০২৬ং তারিখে সন্ত্রাসীরা আমার উপর হামলা চালায়। এবং আমাকে মিথ্যা মাদক মামলা পাসানোর চেষ্টা করে এবং আমাকে মেরে জখম করে আমার কাছ থেকে জোর পূর্বক জবান বন্ধী নেয় আমার বোন রত্নার বিরুদ্ধে। আমি আমার বোন রত্নার ও বিএনপি নেতা মানিক এর বিরুদ্ধে যে কথা বলেছি তা সন্ত্রাসীরা ভিডিও করে সোসাল মিডিয়া প্রচার করে তবে যখন পুলিশ আসে এবং আমাকে জিজ্ঞাসা বাদ করে আমি স্বীকার করি যে, আমাকে মেরে মিথ্যা জবানবন্দী নেন সন্ত্রাসীরা। যাহা আমি পরবর্তী জামিনে এসে সংবাদ সন্মেলন করে বিষয় টি প্রকাশ করি সোসাল মিডিয়া ও ফেনীর বিভিন্ন মিডিয়া।

এই বিষয় পরবর্তী ফেনী পরশুরাম থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলামের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান মোহাম্মদ রাকিব কে স্থানীয় কিছু লোকজন আমাদের নিকট স্বপর্দ করে, তবে তার নিকট কোন মাদক দ্রব্য পাওয়া যায় নি।

তবে এই বিষয়ে চাঁদাবাজি মামলার আসামি ও অভিযোগ কৃত ব্যক্তিদের সাথে মুটোফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং তাদের মধ্যে আসামী তসলিম বলেন এটি উদ্দেশ্য মূলক মামলা, আমার কেউ তাদের কাছে কোন চাঁদা আদায় করতে যায়নি।

মামলার বাদী রত্না মামলার বিবরন দিয়ে বলেন আমার ভাই ও স্বামী প্রবাসী প্রবাসে থাকে অবস্থা ভালো দেখে মামলার আসামিগন আমার বাসার সামনে মাদক সেবন ও চলার পথে ইভটিজিং করে এবং রাস্তা কিশোর গ্যাং এর সদস্য উপস্থিতি থাকায় আমি আমার বাড়ির বাহিরের দেওয়ালে কয়েকটি সিসি ক্যামরা লাগাই।আসামীগন সিসি ক্যামরা গুলো ভেঙ্গে ফেলা ও খুলে নেওয়ার চেষ্টা চালায়। এবং আসামিগন দলবদ্ধ হয়ে আমার কাছে তিন লক্ষ্য (৩,০০,০০০)টাকা চাঁদা দাবী করে বলে মামলায় বিষয় টি উল্লেখ করেন।

ভুক্তভোগী রত্না আরো জানান সন্ত্রাসীরা কিছু অসাধু কর্মকর্তার সাথে অর্থ বিনিময় করে তাদের উপর পুলিশি হয়রানি করার চেষ্টাও চালায়।ভুক্তভোগী রত্না আরো জানান গত ১৫ই আগস্ট চাঁদাবাজ নব্য বিএনপি আওয়ামী কিছু সন্ত্রাসী নেতা সেজে স্থানীয় মানুষের মাধ্যমে মব সৃষ্টি করে তার ছোট ভাই রাকিব কে মারদর করে মিথ্যা মামলায় পাসানোর জন্য পরশুরাম থানা নিয়ে যায়।তবে উপযুক্ত কোন প্রমাণ না পেয়ে তাকে মাদক মামলায় ফাসাতে পারেনি। ভুক্তভোগী পরিবার আরো বলেন দেশে আইন আছে, আদালত আছে,আমার ভাই যদি অপরাদী হয় তার ব্যবস্তা প্রসাশন নিবে। আমরা এর সুষ্ঠ বিচার চাই, তবে রাকিব বিষয় কোন মামলা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে বলেন রাকিব এর চিকিৎসা চলছে আমরা হামলা কারীদের বিরুদ্ধে দূতই আইনি ব্যবস্তা গ্রহণ করবো।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

সাঁথিয়ায় মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি নাজিবুর রহমান মোমেন।

ফেনী পরশুরামে মাদক দিয়ে রাকিব নামে এক যুবকে পাসানোর চেষ্টা।

Update Time : 11:28:12 am, Monday, 24 August 2026

নিজস্ব প্রতিনিধি :

ফেনীর পরশুরাম থানার বাউরখুমার বাসিন্দা পিতা মারা হারা মোহাম্মদ রাকিব।পিতা-মাতা না থাকায় বড় বোন রত্না মনি শান্তার সাথে থাকেন মোহাম্মদ রাকিব।

স্বামী প্রবাসে থাকা দুই সন্তান কে নিয়ে রত্না ছোট ভাইদের নিয়ে বসবাস করেন ফেনীর পরশুরাম থানার বাউরখুমা গ্রামে।

স্থানীয় কিছু সন্ত্রাসী রাকিবের বোনের সাথে বসত ভিটার জায়গায় নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। জায়গার বিরোধিতাকে কেন্দ্র করে তার বোনের নিকট সন্ত্রাসীরা চাঁদা দাবি করে ৩,০০,০০০ লাখ টাকা।চাঁদা দিতে রাজি না হওয়া তাদের পরিবার কে প্রানে মেরে পেলার হুমকি ও মাদক কারবারি মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার বলেন পরবর্তী আমরা আদালতে একটি মামলা রজু করি।মামলা নং ০৭/০৮/২০২৬ মোকদ্দমা ধারা ১৪৩/৩৫৪/৩৮৫/৫০৯/৫০৬। মামলা আসামী করা হয় ১.মোহাম্মদ তসলিম পিতা- জার আহাম্মদ, ২.বোরহান উদ্দিন পিতা-মো:রফিক,৩.জাহাদন পিতা-এনাম ৪.মামুন পিতা-আবদুল করিম ৫.আলী পিতা- সৈয়দ হোসেন ৬.লাদেন পিতা- মানু মিয়া ৭.বাদশা পিতা -শিপন ৮.ইউছুপ পিতা-জয়নাল আবদিন, ৯.মুরাদ পিতা- খোকন মিয়া ১০.রিদয় পিতা- মজিবুল হক

ভুক্তভোগী আরিফ আরো জানান চাঁদাবাজির মামলাকে কেন্দ্র করে গত ১৫ আগষ্ট ২০২৬ং তারিখে সন্ত্রাসীরা আমার উপর হামলা চালায়। এবং আমাকে মিথ্যা মাদক মামলা পাসানোর চেষ্টা করে এবং আমাকে মেরে জখম করে আমার কাছ থেকে জোর পূর্বক জবান বন্ধী নেয় আমার বোন রত্নার বিরুদ্ধে। আমি আমার বোন রত্নার ও বিএনপি নেতা মানিক এর বিরুদ্ধে যে কথা বলেছি তা সন্ত্রাসীরা ভিডিও করে সোসাল মিডিয়া প্রচার করে তবে যখন পুলিশ আসে এবং আমাকে জিজ্ঞাসা বাদ করে আমি স্বীকার করি যে, আমাকে মেরে মিথ্যা জবানবন্দী নেন সন্ত্রাসীরা। যাহা আমি পরবর্তী জামিনে এসে সংবাদ সন্মেলন করে বিষয় টি প্রকাশ করি সোসাল মিডিয়া ও ফেনীর বিভিন্ন মিডিয়া।

এই বিষয় পরবর্তী ফেনী পরশুরাম থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলামের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান মোহাম্মদ রাকিব কে স্থানীয় কিছু লোকজন আমাদের নিকট স্বপর্দ করে, তবে তার নিকট কোন মাদক দ্রব্য পাওয়া যায় নি।

তবে এই বিষয়ে চাঁদাবাজি মামলার আসামি ও অভিযোগ কৃত ব্যক্তিদের সাথে মুটোফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং তাদের মধ্যে আসামী তসলিম বলেন এটি উদ্দেশ্য মূলক মামলা, আমার কেউ তাদের কাছে কোন চাঁদা আদায় করতে যায়নি।

মামলার বাদী রত্না মামলার বিবরন দিয়ে বলেন আমার ভাই ও স্বামী প্রবাসী প্রবাসে থাকে অবস্থা ভালো দেখে মামলার আসামিগন আমার বাসার সামনে মাদক সেবন ও চলার পথে ইভটিজিং করে এবং রাস্তা কিশোর গ্যাং এর সদস্য উপস্থিতি থাকায় আমি আমার বাড়ির বাহিরের দেওয়ালে কয়েকটি সিসি ক্যামরা লাগাই।আসামীগন সিসি ক্যামরা গুলো ভেঙ্গে ফেলা ও খুলে নেওয়ার চেষ্টা চালায়। এবং আসামিগন দলবদ্ধ হয়ে আমার কাছে তিন লক্ষ্য (৩,০০,০০০)টাকা চাঁদা দাবী করে বলে মামলায় বিষয় টি উল্লেখ করেন।

ভুক্তভোগী রত্না আরো জানান সন্ত্রাসীরা কিছু অসাধু কর্মকর্তার সাথে অর্থ বিনিময় করে তাদের উপর পুলিশি হয়রানি করার চেষ্টাও চালায়।ভুক্তভোগী রত্না আরো জানান গত ১৫ই আগস্ট চাঁদাবাজ নব্য বিএনপি আওয়ামী কিছু সন্ত্রাসী নেতা সেজে স্থানীয় মানুষের মাধ্যমে মব সৃষ্টি করে তার ছোট ভাই রাকিব কে মারদর করে মিথ্যা মামলায় পাসানোর জন্য পরশুরাম থানা নিয়ে যায়।তবে উপযুক্ত কোন প্রমাণ না পেয়ে তাকে মাদক মামলায় ফাসাতে পারেনি। ভুক্তভোগী পরিবার আরো বলেন দেশে আইন আছে, আদালত আছে,আমার ভাই যদি অপরাদী হয় তার ব্যবস্তা প্রসাশন নিবে। আমরা এর সুষ্ঠ বিচার চাই, তবে রাকিব বিষয় কোন মামলা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে বলেন রাকিব এর চিকিৎসা চলছে আমরা হামলা কারীদের বিরুদ্ধে দূতই আইনি ব্যবস্তা গ্রহণ করবো।