Dhaka 7:21 am, Tuesday, 3 November 2026
News Title :
সাঁথিয়ায় মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি নাজিবুর রহমান মোমেন। মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত উন্নত মৌগাছি গঠনে চেয়ারম্যান মেজর আলী বিশ্বাসের প্রশংসনীয় পদক্ষেপ পীরগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।  পাঁচবিবিতে অটোভ্যান চালককে হত্যা করে অটো ছিনতাই ‎বকশীগঞ্জে ঝোপের আড়ালে মিলল গৃহবধূর পচাগলা লাশ, আটক ৪ ঘোড়াঘাটে মায়ের সাথে অভিমান করে কিশোরীর আত্মহত্যা ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি ঈশ্বরগঞ্জ থানার মো. সাজ্জাদ রোমন পুংগলী ইউনিয়ন যুব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে খেলার সামগ্রী বিতরণ। কুলিয়ারচরে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ বিষয়ক অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত কেরানীগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ৩ জনের কারাদণ্ড ও জরিমানা

ঝালকাঠিতে সরকারি জমি দখল করে পাকা ভবন নির্মাণ, উচ্ছেদের দাবি

মো:খলিলুর রহমান, ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

ঝালকাঠি সদর উপজেলার কীর্তিপাশা ইউনিয়নের কীর্তিপাশা মৌজায় সরকারি জমি দখল করে পাকা ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, জেলা প্রশাসকের নামে রেকর্ডভুক্ত সরকারি সম্পত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে স্থাপনা নির্মাণ করে দখল বজায় রাখার পাশাপাশি সম্প্রতি ওই স্থাপনার ওপর আবারও নির্মাণকাজ শুরু করা হয়েছে। এ ঘটনায় সরকারি জমি উদ্ধারে দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

কীর্তিপাশা ইউনিয়ন ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, কীর্তিপাশা মৌজার এসএ ৫৪১ নম্বর খতিয়ানের ৭৭৩ নম্বর দাগের আনুমানিক ০.০০৫০ একর জমিতে অমুত্যল কুমার কর্মকারের ছেলে নিখিল কর্মকার প্রায় ১৫ বছর আগে একটি পাকা অবকাঠামো নির্মাণ করেন।

সম্প্রতি ওই স্থাপনার ওপর পুনরায় নির্মাণকাজ শুরু করলে ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা তাকে কাজ বন্ধ রাখার জন্য একাধিকবার নিষেধ করেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

ভূমি অফিসের নথিপত্র অনুযায়ী, উক্ত সম্পত্তি ১১২/৭০ নম্বর ভিপি মামলার আওতাভুক্ত। বাংলাদেশ জরিপে জমিটি ১/১ নম্বর খতিয়ানে ৭৭৩ নম্বর দাগে জেলা প্রশাসকের নামে রেকর্ডভুক্ত রয়েছে।

এ ঘটনায় কীর্তিপাশা ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মো. আরিফুর রহমান সরকারি সম্পত্তি উদ্ধারে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার অনুরোধ জানিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর লিখিত প্রতিবেদন দিয়েছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। তারা দ্রুত সরেজমিন তদন্ত করে অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং সরকারি জমি উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সরকারি জমিতে অবৈধভাবে পাকা ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবি, দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে সরকারি জায়গাটি উদ্ধার করা হোক।

এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম মেহেদী হাসান জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। সরকারি সম্পদ রক্ষায় আইনানুগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

সরকারি জমি দখল ও অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগের পর এখন প্রশাসন কত দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেয় এবং সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার করে—সেদিকেই তাকিয়ে এলাকাবাসী।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

সাঁথিয়ায় মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি নাজিবুর রহমান মোমেন।

ঝালকাঠিতে সরকারি জমি দখল করে পাকা ভবন নির্মাণ, উচ্ছেদের দাবি

Update Time : 03:20:16 am, Sunday, 23 August 2026

মো:খলিলুর রহমান, ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

ঝালকাঠি সদর উপজেলার কীর্তিপাশা ইউনিয়নের কীর্তিপাশা মৌজায় সরকারি জমি দখল করে পাকা ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, জেলা প্রশাসকের নামে রেকর্ডভুক্ত সরকারি সম্পত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে স্থাপনা নির্মাণ করে দখল বজায় রাখার পাশাপাশি সম্প্রতি ওই স্থাপনার ওপর আবারও নির্মাণকাজ শুরু করা হয়েছে। এ ঘটনায় সরকারি জমি উদ্ধারে দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

কীর্তিপাশা ইউনিয়ন ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, কীর্তিপাশা মৌজার এসএ ৫৪১ নম্বর খতিয়ানের ৭৭৩ নম্বর দাগের আনুমানিক ০.০০৫০ একর জমিতে অমুত্যল কুমার কর্মকারের ছেলে নিখিল কর্মকার প্রায় ১৫ বছর আগে একটি পাকা অবকাঠামো নির্মাণ করেন।

সম্প্রতি ওই স্থাপনার ওপর পুনরায় নির্মাণকাজ শুরু করলে ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা তাকে কাজ বন্ধ রাখার জন্য একাধিকবার নিষেধ করেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

ভূমি অফিসের নথিপত্র অনুযায়ী, উক্ত সম্পত্তি ১১২/৭০ নম্বর ভিপি মামলার আওতাভুক্ত। বাংলাদেশ জরিপে জমিটি ১/১ নম্বর খতিয়ানে ৭৭৩ নম্বর দাগে জেলা প্রশাসকের নামে রেকর্ডভুক্ত রয়েছে।

এ ঘটনায় কীর্তিপাশা ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মো. আরিফুর রহমান সরকারি সম্পত্তি উদ্ধারে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার অনুরোধ জানিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর লিখিত প্রতিবেদন দিয়েছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। তারা দ্রুত সরেজমিন তদন্ত করে অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং সরকারি জমি উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সরকারি জমিতে অবৈধভাবে পাকা ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবি, দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে সরকারি জায়গাটি উদ্ধার করা হোক।

এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম মেহেদী হাসান জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। সরকারি সম্পদ রক্ষায় আইনানুগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

সরকারি জমি দখল ও অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগের পর এখন প্রশাসন কত দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেয় এবং সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার করে—সেদিকেই তাকিয়ে এলাকাবাসী।