Dhaka 8:15 am, Tuesday, 3 November 2026
News Title :
সাঁথিয়ায় মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি নাজিবুর রহমান মোমেন। মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত উন্নত মৌগাছি গঠনে চেয়ারম্যান মেজর আলী বিশ্বাসের প্রশংসনীয় পদক্ষেপ পীরগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।  পাঁচবিবিতে অটোভ্যান চালককে হত্যা করে অটো ছিনতাই ‎বকশীগঞ্জে ঝোপের আড়ালে মিলল গৃহবধূর পচাগলা লাশ, আটক ৪ ঘোড়াঘাটে মায়ের সাথে অভিমান করে কিশোরীর আত্মহত্যা ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি ঈশ্বরগঞ্জ থানার মো. সাজ্জাদ রোমন পুংগলী ইউনিয়ন যুব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে খেলার সামগ্রী বিতরণ। কুলিয়ারচরে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ বিষয়ক অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত কেরানীগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ৩ জনের কারাদণ্ড ও জরিমানা

মির্জা ফখরুলের ইসলামের নিজ জেলায় মিষ্টি বিতরণ ও আনন্দ মিছিল। 

মো. আরফান আলী :

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের ২৩ তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় নিজ জেলা ঠাকূরগাঁওয়ে বইছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস ও মিষ্টি বিতরণ।

বৃহস্পতিবার ২০ আগষ্ট রাষ্ট্রপতি ফল ঘোষণার পরপরই বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ আনন্দ মিছিল, মিষ্টি বিতরণ ও উল্লাসে মেতে উঠেছে। শহরের বিভিন্ন স্থানে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে দেখা যায় উৎসবের আমেজ।

দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় তৃণমূল থেকে উঠে এসে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মির্জা ফখরুলে ইসলাম নির্বাচিত হওয়াকে নিজেদের জন্য গর্বের বলে জানিয়েছেন ঠাকূরগাঁওয়ের সর্বস্তরের মানুষ।তৃণমূল থেকে রাষ্ট্রপতি।

ছাত্রনেতা থেকে শিক্ষক, পৌর চেয়ারম্যান থেকে সংসদ সদস্য, প্রতিমন্ত্রী থেকে বিএনপির মহাসচিব দীর্ঘ রাজনৈতিক পথ পাড়ি দিয়েছেন মির্জা আলমগীর।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতিতে যুক্ত হন তিনি। ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানেও ছিলেন সক্রিয়। পরে অর্থনীতির শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।

১৯৮৬ সালে শিক্ষকতা ছেড়ে রাজনীতিতে ফেরেন। ১৯৮৮ সালে নির্বাচিত হন ঠাকূরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে, এরপর এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় যোগ দেন বিএনপিতে। ১৯৯২ সালে দায়িত্ব পান ঠাকূরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতির। ২০০১ সালের নির্বাচনে ঠাকূরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে বিএনপি সরকারের কৃষি প্রতিমন্ত্রী এবং পরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৯ সালে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব, ২০১১ সালে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ থেকে দলের মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন তিনি।

দীর্ঘ এই রাজনৈতিক পথচলায় তৃণমূলের রাজনীতি থেকে উঠে এসে জাতীয় রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাজনীতিতে এসে ধাপে ধাপে উঠে এসেছেন জাতীয় রাজনীতির শীর্ষ পর্যায়ে। দলের মহাসচিব হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন এবং নানা রাজনৈতিক সংকটে নেতৃত্ব দেওয়ার পর রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ায় তার রাজনৈতিক ত্যাগ ও নিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবে অর্পিত দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

সাঁথিয়ায় মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি নাজিবুর রহমান মোমেন।

মির্জা ফখরুলের ইসলামের নিজ জেলায় মিষ্টি বিতরণ ও আনন্দ মিছিল। 

Update Time : 09:14:08 am, Thursday, 20 August 2026

মো. আরফান আলী :

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের ২৩ তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় নিজ জেলা ঠাকূরগাঁওয়ে বইছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস ও মিষ্টি বিতরণ।

বৃহস্পতিবার ২০ আগষ্ট রাষ্ট্রপতি ফল ঘোষণার পরপরই বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ আনন্দ মিছিল, মিষ্টি বিতরণ ও উল্লাসে মেতে উঠেছে। শহরের বিভিন্ন স্থানে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে দেখা যায় উৎসবের আমেজ।

দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় তৃণমূল থেকে উঠে এসে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মির্জা ফখরুলে ইসলাম নির্বাচিত হওয়াকে নিজেদের জন্য গর্বের বলে জানিয়েছেন ঠাকূরগাঁওয়ের সর্বস্তরের মানুষ।তৃণমূল থেকে রাষ্ট্রপতি।

ছাত্রনেতা থেকে শিক্ষক, পৌর চেয়ারম্যান থেকে সংসদ সদস্য, প্রতিমন্ত্রী থেকে বিএনপির মহাসচিব দীর্ঘ রাজনৈতিক পথ পাড়ি দিয়েছেন মির্জা আলমগীর।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতিতে যুক্ত হন তিনি। ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানেও ছিলেন সক্রিয়। পরে অর্থনীতির শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।

১৯৮৬ সালে শিক্ষকতা ছেড়ে রাজনীতিতে ফেরেন। ১৯৮৮ সালে নির্বাচিত হন ঠাকূরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে, এরপর এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় যোগ দেন বিএনপিতে। ১৯৯২ সালে দায়িত্ব পান ঠাকূরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতির। ২০০১ সালের নির্বাচনে ঠাকূরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে বিএনপি সরকারের কৃষি প্রতিমন্ত্রী এবং পরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৯ সালে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব, ২০১১ সালে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ থেকে দলের মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন তিনি।

দীর্ঘ এই রাজনৈতিক পথচলায় তৃণমূলের রাজনীতি থেকে উঠে এসে জাতীয় রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাজনীতিতে এসে ধাপে ধাপে উঠে এসেছেন জাতীয় রাজনীতির শীর্ষ পর্যায়ে। দলের মহাসচিব হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন এবং নানা রাজনৈতিক সংকটে নেতৃত্ব দেওয়ার পর রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ায় তার রাজনৈতিক ত্যাগ ও নিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবে অর্পিত দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছেন।