Dhaka 5:52 pm, Thursday, 29 October 2026
News Title :
সাঁথিয়ায় মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি নাজিবুর রহমান মোমেন। মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত উন্নত মৌগাছি গঠনে চেয়ারম্যান মেজর আলী বিশ্বাসের প্রশংসনীয় পদক্ষেপ পীরগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।  পাঁচবিবিতে অটোভ্যান চালককে হত্যা করে অটো ছিনতাই ‎বকশীগঞ্জে ঝোপের আড়ালে মিলল গৃহবধূর পচাগলা লাশ, আটক ৪ ঘোড়াঘাটে মায়ের সাথে অভিমান করে কিশোরীর আত্মহত্যা ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি ঈশ্বরগঞ্জ থানার মো. সাজ্জাদ রোমন পুংগলী ইউনিয়ন যুব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে খেলার সামগ্রী বিতরণ। কুলিয়ারচরে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ বিষয়ক অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত কেরানীগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ৩ জনের কারাদণ্ড ও জরিমানা

কক্সবাজার সৈকতে হকারদের দৌরাত্ম্য, ভোগান্তিতে পর্যটক।

স্টাফ রিপোর্টার মো:ফরহাদ হোসেন

দেশের অন্যতম প্রধান পর্যটনকেন্দ্র কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে হকারদের অবাধ বিচরণ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন পর্যটকরা। সৈকতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও বিচের আশপাশে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে বসছে বিভিন্ন ধরনের ভ্রাম্যমাণ দোকান। এতে একদিকে যেমন পর্যটকদের স্বাভাবিক চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে, অন্যদিকে নষ্ট হচ্ছে বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকতের সৌন্দর্য।

সরেজমিনে দেখা যায়, সৈকতের বিভিন্ন এলাকায় হকাররা খাবার, পোশাক, খেলনা, সামুদ্রিক পণ্যসহ নানা ধরনের সামগ্রী নিয়ে পর্যটকদের কাছে ঘোরাফেরা করছেন। অনেক ক্ষেত্রে পর্যটকদের হাঁটার জায়গা দখল করে বসানো হচ্ছে পসরা। ফলে পরিবার-পরিজন নিয়ে সৈকতে বেড়াতে আসা পর্যটকদের চলাচলে তৈরি হচ্ছে বিড়ম্বনা।

পর্যটকদের অভিযোগ, হকারদের বিক্রি করা খাবার ও বিভিন্ন পণ্যের প্যাকেট, প্লাস্টিক, পানির বোতলসহ নানা ধরনের বর্জ্য সৈকতের আশপাশে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পর্যাপ্ত পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থাপনা ও নিয়মিত নজরদারির অভাবে এসব বর্জ্য সৈকতের পরিবেশ ও নান্দনিকতা নষ্ট করছে।

ঢাকা থেকে কক্সবাজারে বেড়াতে আসা এক পর্যটক বলেন, “সৈকতের সৌন্দর্য উপভোগ করতে এসে অনেক সময় হকারদের কারণে স্বাভাবিকভাবে হাঁটাও কঠিন হয়ে পড়ে। যেখানে-সেখানে ময়লা পড়ে থাকায় পরিবেশটাও খারাপ লাগে।”

স্থানীয়দের মতে, জীবিকার প্রয়োজনে অনেক মানুষ হকারি পেশার সঙ্গে যুক্ত। তবে পর্যটন এলাকার পরিবেশ ও পর্যটকদের স্বাচ্ছন্দ্য বিবেচনায় তাদের জন্য নির্দিষ্ট স্থান ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাও জরুরি।

পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কক্সবাজারের প্রধান আকর্ষণই এর বিশাল সমুদ্রসৈকত। তাই সৈকতের সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষায় হকারদের নিয়ন্ত্রণ, নির্দিষ্ট এলাকায় ব্যবসার সুযোগ, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং পর্যাপ্ত ডাস্টবিন স্থাপনসহ কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

পর্যটকদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতকে আরও পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও পর্যটকবান্ধব করে তুলবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

সাঁথিয়ায় মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি নাজিবুর রহমান মোমেন।

কক্সবাজার সৈকতে হকারদের দৌরাত্ম্য, ভোগান্তিতে পর্যটক।

Update Time : 04:41:38 am, Wednesday, 26 August 2026

স্টাফ রিপোর্টার মো:ফরহাদ হোসেন

দেশের অন্যতম প্রধান পর্যটনকেন্দ্র কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে হকারদের অবাধ বিচরণ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন পর্যটকরা। সৈকতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও বিচের আশপাশে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে বসছে বিভিন্ন ধরনের ভ্রাম্যমাণ দোকান। এতে একদিকে যেমন পর্যটকদের স্বাভাবিক চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে, অন্যদিকে নষ্ট হচ্ছে বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকতের সৌন্দর্য।

সরেজমিনে দেখা যায়, সৈকতের বিভিন্ন এলাকায় হকাররা খাবার, পোশাক, খেলনা, সামুদ্রিক পণ্যসহ নানা ধরনের সামগ্রী নিয়ে পর্যটকদের কাছে ঘোরাফেরা করছেন। অনেক ক্ষেত্রে পর্যটকদের হাঁটার জায়গা দখল করে বসানো হচ্ছে পসরা। ফলে পরিবার-পরিজন নিয়ে সৈকতে বেড়াতে আসা পর্যটকদের চলাচলে তৈরি হচ্ছে বিড়ম্বনা।

পর্যটকদের অভিযোগ, হকারদের বিক্রি করা খাবার ও বিভিন্ন পণ্যের প্যাকেট, প্লাস্টিক, পানির বোতলসহ নানা ধরনের বর্জ্য সৈকতের আশপাশে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পর্যাপ্ত পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থাপনা ও নিয়মিত নজরদারির অভাবে এসব বর্জ্য সৈকতের পরিবেশ ও নান্দনিকতা নষ্ট করছে।

ঢাকা থেকে কক্সবাজারে বেড়াতে আসা এক পর্যটক বলেন, “সৈকতের সৌন্দর্য উপভোগ করতে এসে অনেক সময় হকারদের কারণে স্বাভাবিকভাবে হাঁটাও কঠিন হয়ে পড়ে। যেখানে-সেখানে ময়লা পড়ে থাকায় পরিবেশটাও খারাপ লাগে।”

স্থানীয়দের মতে, জীবিকার প্রয়োজনে অনেক মানুষ হকারি পেশার সঙ্গে যুক্ত। তবে পর্যটন এলাকার পরিবেশ ও পর্যটকদের স্বাচ্ছন্দ্য বিবেচনায় তাদের জন্য নির্দিষ্ট স্থান ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাও জরুরি।

পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কক্সবাজারের প্রধান আকর্ষণই এর বিশাল সমুদ্রসৈকত। তাই সৈকতের সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষায় হকারদের নিয়ন্ত্রণ, নির্দিষ্ট এলাকায় ব্যবসার সুযোগ, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং পর্যাপ্ত ডাস্টবিন স্থাপনসহ কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

পর্যটকদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতকে আরও পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও পর্যটকবান্ধব করে তুলবে।