Dhaka 9:31 am, Tuesday, 3 November 2026
News Title :
সাঁথিয়ায় মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি নাজিবুর রহমান মোমেন। মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত উন্নত মৌগাছি গঠনে চেয়ারম্যান মেজর আলী বিশ্বাসের প্রশংসনীয় পদক্ষেপ পীরগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।  পাঁচবিবিতে অটোভ্যান চালককে হত্যা করে অটো ছিনতাই ‎বকশীগঞ্জে ঝোপের আড়ালে মিলল গৃহবধূর পচাগলা লাশ, আটক ৪ ঘোড়াঘাটে মায়ের সাথে অভিমান করে কিশোরীর আত্মহত্যা ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি ঈশ্বরগঞ্জ থানার মো. সাজ্জাদ রোমন পুংগলী ইউনিয়ন যুব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে খেলার সামগ্রী বিতরণ। কুলিয়ারচরে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ বিষয়ক অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত কেরানীগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ৩ জনের কারাদণ্ড ও জরিমানা

 সংবাদ প্রকাশের পর কাশিমপুরে পুলিশের পদক্ষেপ, বাসস্ট্যান্ডে জিসিসির উচ্ছেদ অভিযান 

এস এ বাংলা নিউজ ডেক্স

কাশিমপুর বাসস্ট্যান্ডে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ সিটি করপোরেশনের, চক্রবর্তীতে সড়ক দখলমুক্ত করতে দোকান সরানোর নির্দেশ।

গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুরে সরকারি সড়ক দখল করে দোকান বসানো এবং এসব দোকান থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন ও পুলিশ। গণমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) একই দিনে চক্রবর্তী ও কাশিমপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৃথকভাবে উচ্ছেদ ও দখলমুক্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। চক্রবর্তী এলাকায় সরকারি সড়কের ওপর বসানো দোকানপাট সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কাশিমপুর থানা পুলিশ। আর কাশিমপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে গাজীপুর সিটি করপোরেশন।

সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত চক্রবর্তী এলাকায় সরেজমিনে অভিযান ও পরিদর্শন করেন কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা মোহাম্মদ খালিদ হোসেন। এ সময় তিনি সরকারি সড়কের ওপর বসানো দোকানপাট পরিদর্শন করে ব্যবসায়ীদের দ্রুত সড়ক খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দেন।

পুলিশের নির্দেশ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে থাকা বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী নিজ উদ্যোগে দোকানের মালামাল ও অন্যান্য সরঞ্জাম সরিয়ে নেন। তবে পরিদর্শনের সময় কয়েকজন দোকানদার ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকায় তাদেরও দ্রুত দোকান সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পুলিশ জানায়, নির্দেশ অমান্য করে কেউ সরকারি সড়ক দখল করে দোকান চালু রাখলে যেকোনো সময় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

এর আগে চক্রবর্তী এলাকায় সরকারি সড়ক দখল করে দোকান বসিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ নিয়ে একাধিক গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত প্রতিবেদনে স্থানীয়দের অভিযোগের পাশাপাশি সড়কের ওপর থাকা দোকানপাটের বিভিন্ন চিত্র ও তথ্য তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সড়কের জায়গা দখল করে দোকান বসানোর পাশাপাশি দোকানদারদের কাছ থেকে নিয়মিত অর্থ আদায় করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চক্রবর্তী এলাকায় সড়ক ও আশপাশের জায়গা দখল করে প্রায় ৩০০টি দোকান বসানো হয়েছে। দোকানের আকার ও অবস্থানভেদে প্রতিদিন প্রায় ৫০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের হিসাব অনুযায়ী, এভাবে অর্থ আদায়ের পরিমাণ বছরে প্রায় অর্ধকোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

অভিযোগ রয়েছে, শুধু সড়কের একাংশ নয়, প্রায় পুরো সরকারি সড়কই বিভিন্নভাবে দোকান বসিয়ে ব্যবহার করা হচ্ছিল। এমনকি পাশের বেক্সিমকো গ্রুপের নিজস্ব রাস্তা ও চলাচলের জন্য ব্যবহৃত জায়গার কিছু অংশও দোকান বসানোর কাজে ব্যবহার করা হতো। এতে সড়ক সংকুচিত হয়ে যানবাহন চলাচল ও পথচারীদের চলাচলে ব্যাপক ভোগান্তি সৃষ্টি হয়।

সংবাদ প্রকাশের পর মঙ্গলবার কাশিমপুর থানার ওসি মোল্লা মোহাম্মদ খালিদ হোসেনের সরেজমিনে উপস্থিতি এবং দোকান সরানোর নির্দেশকে স্থানীয়রা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। তাদের ভাষ্য, দীর্ঘদিনের দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগের বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের পরই প্রশাসন ও পুলিশের নজরে বিষয়টি আরও গুরুত্ব পায়।

অন্যদিকে একই দিনে দুপুর আড়াইটার পর থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কাশিমপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৃথক উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে গাজীপুর সিটি করপোরেশন। থানা পুলিশের সহায়তায় পরিচালিত এ অভিযানে সড়ক ও জনসাধারণের চলাচলের জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট ও বিভিন্ন স্থাপনা সরিয়ে দেওয়া হয়।

অভিযানের সময় সংশ্লিষ্টদের সরকারি জায়গা দখল করে পুনরায় দোকানপাট না বসানোর জন্য সতর্ক করা হয়। প্রশাসক শওকত হোসেন সরকারের নির্দেশে কাশিমপুর বাস স্ট্যান্ড এলাকায় পরিচালিত অভিযানে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের অঞ্চল- ৮ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা নাজরাতুন নাঈম, সিটি কর্পোরেশনের ম্যাজিস্ট্রেট সিব্বির আহমেদ ও কাশিমপুর থানার ওসি মোল্লা মোহাম্মদ খালিদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন। পুলিশের সহায়তায় সিটি করপোরেশনের এ কার্যক্রমে বাসস্ট্যান্ড এলাকার দখল করা সড়কের দুই পাশের বিভিন্ন অংশ উন্মুক্ত করা হয়।

একই দিনে চক্রবর্তী ও কাশিমপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় প্রশাসন ও পুলিশের পৃথক তৎপরতায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে সড়ক ও জনসাধারণের চলাচলের জায়গা দখল করে দোকানপাট বসানোর কারণে গুরুত্বপূর্ণ এসব এলাকায় যানজট ও জনদুর্ভোগ বাড়ছিল।

তাদের দাবি, শুধু দোকান উচ্ছেদ করলেই হবে না; চক্রবর্তী এলাকায় সরকারি সড়ক দখল করে দোকান বসানোর সুযোগ কারা দিয়েছে এবং এসব দোকান থেকে নিয়মিত চাঁদা বা অর্থ আদায়ের অভিযোগের সঙ্গে কারা জড়িত—তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।

স্থানীয়দের আরও দাবি, উচ্ছেদ করা জায়গাগুলোতে যাতে আবার দোকানপাট বসতে না পারে, সেজন্য নিয়মিত নজরদারি চালাতে হবে। সরকারি সড়ক ও জনসাধারণের চলাচলের জায়গা কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর অবৈধ আয়ের উৎসে পরিণত না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনকে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

সংবাদ প্রকাশের পর কাশিমপুর থানা পুলিশ ও সিটি করপোরেশনের এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রত্যাশা, চক্রবর্তী ও কাশিমপুর বাসস্ট্যান্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে এ ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হবে এবং সরকারি সড়ক ও জনসাধারণের চলাচলের জায়গা স্থায়ীভাবে দখলমুক্ত রাখা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

সাঁথিয়ায় মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি নাজিবুর রহমান মোমেন।

 সংবাদ প্রকাশের পর কাশিমপুরে পুলিশের পদক্ষেপ, বাসস্ট্যান্ডে জিসিসির উচ্ছেদ অভিযান 

Update Time : 10:58:57 am, Tuesday, 18 August 2026

এস এ বাংলা নিউজ ডেক্স

কাশিমপুর বাসস্ট্যান্ডে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ সিটি করপোরেশনের, চক্রবর্তীতে সড়ক দখলমুক্ত করতে দোকান সরানোর নির্দেশ।

গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুরে সরকারি সড়ক দখল করে দোকান বসানো এবং এসব দোকান থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন ও পুলিশ। গণমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) একই দিনে চক্রবর্তী ও কাশিমপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৃথকভাবে উচ্ছেদ ও দখলমুক্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। চক্রবর্তী এলাকায় সরকারি সড়কের ওপর বসানো দোকানপাট সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কাশিমপুর থানা পুলিশ। আর কাশিমপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে গাজীপুর সিটি করপোরেশন।

সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত চক্রবর্তী এলাকায় সরেজমিনে অভিযান ও পরিদর্শন করেন কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা মোহাম্মদ খালিদ হোসেন। এ সময় তিনি সরকারি সড়কের ওপর বসানো দোকানপাট পরিদর্শন করে ব্যবসায়ীদের দ্রুত সড়ক খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দেন।

পুলিশের নির্দেশ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে থাকা বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী নিজ উদ্যোগে দোকানের মালামাল ও অন্যান্য সরঞ্জাম সরিয়ে নেন। তবে পরিদর্শনের সময় কয়েকজন দোকানদার ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকায় তাদেরও দ্রুত দোকান সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পুলিশ জানায়, নির্দেশ অমান্য করে কেউ সরকারি সড়ক দখল করে দোকান চালু রাখলে যেকোনো সময় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

এর আগে চক্রবর্তী এলাকায় সরকারি সড়ক দখল করে দোকান বসিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ নিয়ে একাধিক গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত প্রতিবেদনে স্থানীয়দের অভিযোগের পাশাপাশি সড়কের ওপর থাকা দোকানপাটের বিভিন্ন চিত্র ও তথ্য তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সড়কের জায়গা দখল করে দোকান বসানোর পাশাপাশি দোকানদারদের কাছ থেকে নিয়মিত অর্থ আদায় করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চক্রবর্তী এলাকায় সড়ক ও আশপাশের জায়গা দখল করে প্রায় ৩০০টি দোকান বসানো হয়েছে। দোকানের আকার ও অবস্থানভেদে প্রতিদিন প্রায় ৫০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের হিসাব অনুযায়ী, এভাবে অর্থ আদায়ের পরিমাণ বছরে প্রায় অর্ধকোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

অভিযোগ রয়েছে, শুধু সড়কের একাংশ নয়, প্রায় পুরো সরকারি সড়কই বিভিন্নভাবে দোকান বসিয়ে ব্যবহার করা হচ্ছিল। এমনকি পাশের বেক্সিমকো গ্রুপের নিজস্ব রাস্তা ও চলাচলের জন্য ব্যবহৃত জায়গার কিছু অংশও দোকান বসানোর কাজে ব্যবহার করা হতো। এতে সড়ক সংকুচিত হয়ে যানবাহন চলাচল ও পথচারীদের চলাচলে ব্যাপক ভোগান্তি সৃষ্টি হয়।

সংবাদ প্রকাশের পর মঙ্গলবার কাশিমপুর থানার ওসি মোল্লা মোহাম্মদ খালিদ হোসেনের সরেজমিনে উপস্থিতি এবং দোকান সরানোর নির্দেশকে স্থানীয়রা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। তাদের ভাষ্য, দীর্ঘদিনের দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগের বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের পরই প্রশাসন ও পুলিশের নজরে বিষয়টি আরও গুরুত্ব পায়।

অন্যদিকে একই দিনে দুপুর আড়াইটার পর থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কাশিমপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৃথক উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে গাজীপুর সিটি করপোরেশন। থানা পুলিশের সহায়তায় পরিচালিত এ অভিযানে সড়ক ও জনসাধারণের চলাচলের জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট ও বিভিন্ন স্থাপনা সরিয়ে দেওয়া হয়।

অভিযানের সময় সংশ্লিষ্টদের সরকারি জায়গা দখল করে পুনরায় দোকানপাট না বসানোর জন্য সতর্ক করা হয়। প্রশাসক শওকত হোসেন সরকারের নির্দেশে কাশিমপুর বাস স্ট্যান্ড এলাকায় পরিচালিত অভিযানে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের অঞ্চল- ৮ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা নাজরাতুন নাঈম, সিটি কর্পোরেশনের ম্যাজিস্ট্রেট সিব্বির আহমেদ ও কাশিমপুর থানার ওসি মোল্লা মোহাম্মদ খালিদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন। পুলিশের সহায়তায় সিটি করপোরেশনের এ কার্যক্রমে বাসস্ট্যান্ড এলাকার দখল করা সড়কের দুই পাশের বিভিন্ন অংশ উন্মুক্ত করা হয়।

একই দিনে চক্রবর্তী ও কাশিমপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় প্রশাসন ও পুলিশের পৃথক তৎপরতায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে সড়ক ও জনসাধারণের চলাচলের জায়গা দখল করে দোকানপাট বসানোর কারণে গুরুত্বপূর্ণ এসব এলাকায় যানজট ও জনদুর্ভোগ বাড়ছিল।

তাদের দাবি, শুধু দোকান উচ্ছেদ করলেই হবে না; চক্রবর্তী এলাকায় সরকারি সড়ক দখল করে দোকান বসানোর সুযোগ কারা দিয়েছে এবং এসব দোকান থেকে নিয়মিত চাঁদা বা অর্থ আদায়ের অভিযোগের সঙ্গে কারা জড়িত—তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।

স্থানীয়দের আরও দাবি, উচ্ছেদ করা জায়গাগুলোতে যাতে আবার দোকানপাট বসতে না পারে, সেজন্য নিয়মিত নজরদারি চালাতে হবে। সরকারি সড়ক ও জনসাধারণের চলাচলের জায়গা কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর অবৈধ আয়ের উৎসে পরিণত না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনকে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

সংবাদ প্রকাশের পর কাশিমপুর থানা পুলিশ ও সিটি করপোরেশনের এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রত্যাশা, চক্রবর্তী ও কাশিমপুর বাসস্ট্যান্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে এ ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হবে এবং সরকারি সড়ক ও জনসাধারণের চলাচলের জায়গা স্থায়ীভাবে দখলমুক্ত রাখা হবে।