Dhaka 6:32 pm, Friday, 18 September 2026
News Title :
নারীসহ অবরুদ্ধ সাবেক ওসি মাহবুবকে উদ্ধার: দরজা ভেঙে বের করল পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস। প্রায় ২০ বছর ধরে সরকারি জায়গা বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের অভিযোগ। বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে ১২ বছরের শিক্ষার্থী নিখোঁজ। কাশিরাম বেলপুকুরে সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে আলোচনায় শেফালী বেগম। পীরগঞ্জে নজরুল বর্ষে পূরস্কার বিতরণ।  ফুলবাড়ীতে পতিত ওয়াপদা বাঁধে লাউয়ের সবুজ বিপ্লব, স্বাবলম্বী ছয় তরু। সাংবাদিক জনি ফারুককে হেয়প্রতিপন্ন করতে ভিত্তিহীন ভুয়া সংবাদপত্রের কাটিং বানিয়ে অপপ্রচার, তীব্র প্রতিবাদ। ঠাকূরগাঁওয়ে ৭১ সারের ডিলার লাইসেন্সের বিপরীতে ৮৮৯টি আবেদন।  সৈয়দপুরে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত। ঠাকূরগাঁওয়ে গভীর রাতে জুয়ার আসর থেকে পাঁচ পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার।   

স্মার্টফোন আসক্তি দূর করতে করণীয়

নিজস্ব প্রতিবেদক,, এস এ বাংলা নিউজ।।

 

বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন আসক্তি একটি বহুল আলোচিত সামাজিক সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বয়স্ক—সব বয়সের মানুষই কোনো না কোনোভাবে স্মার্টফোনের প্রতি অতিমাত্রায় নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন। এর ফলে দৈনন্দিন কাজকর্মে মনোযোগ কমে যাচ্ছে, ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাপন। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সচেতন উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমেই এই আসক্তি থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসা সম্ভব।

 

স্মার্টফোন আসক্তি কমাতে কয়েকটি কার্যকর অভ্যাস মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে—

 

প্রতিদিন পরিকল্পনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট একটি সময় স্মার্টফোন বন্ধ রাখুন। এতে ধীরে ধীরে ফোনের ওপর নির্ভরতা কমবে।

 

স্মার্টফোনে থাকা অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নোটিফিকেশন বন্ধ করে দিন। এতে বারবার ফোন হাতে নেওয়ার প্রবণতা হ্রাস পাবে।

 

সময় দেখার জন্য স্মার্টফোনের পরিবর্তে হাতে ঘড়ি ব্যবহার করুন। এতে অযথা ফোন ব্যবহারের সুযোগ কমে আসবে।

 

বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা বা পারিবারিক সময় কাটানোর সময় স্মার্টফোন ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। এতে সামাজিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।

 

শুধুমাত্র জরুরি কল ও বার্তা পাঠানোর কাজে স্মার্টফোন ব্যবহার করুন। ইন্টারনেট ব্রাউজিং বা অন্যান্য কাজের জন্য কম্পিউটার ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তুলুন।

 

অনেকেই সকালে ঘুম থেকে ওঠার জন্য স্মার্টফোনে অ্যালার্ম ব্যবহার করেন। এতে ঘুম ভাঙার সঙ্গে সঙ্গেই ফোন ব্যবহারের প্রবণতা তৈরি হয় এবং দিনের শুরুতেই সময় নষ্ট হয়। এ অভ্যাস থেকে মুক্তি পেতে আলাদা অ্যালার্ম ঘড়ি ব্যবহার করা যেতে পারে।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, সচেতনতা ও নিয়মিত অভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমেই স্মার্টফোন আসক্তি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। এতে মানসিক প্রশান্তির পাশাপাশি কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পাবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

নারীসহ অবরুদ্ধ সাবেক ওসি মাহবুবকে উদ্ধার: দরজা ভেঙে বের করল পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস।

স্মার্টফোন আসক্তি দূর করতে করণীয়

Update Time : 12:20:41 am, Monday, 19 January 2026

নিজস্ব প্রতিবেদক,, এস এ বাংলা নিউজ।।

 

বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন আসক্তি একটি বহুল আলোচিত সামাজিক সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বয়স্ক—সব বয়সের মানুষই কোনো না কোনোভাবে স্মার্টফোনের প্রতি অতিমাত্রায় নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন। এর ফলে দৈনন্দিন কাজকর্মে মনোযোগ কমে যাচ্ছে, ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাপন। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সচেতন উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমেই এই আসক্তি থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসা সম্ভব।

 

স্মার্টফোন আসক্তি কমাতে কয়েকটি কার্যকর অভ্যাস মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে—

 

প্রতিদিন পরিকল্পনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট একটি সময় স্মার্টফোন বন্ধ রাখুন। এতে ধীরে ধীরে ফোনের ওপর নির্ভরতা কমবে।

 

স্মার্টফোনে থাকা অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নোটিফিকেশন বন্ধ করে দিন। এতে বারবার ফোন হাতে নেওয়ার প্রবণতা হ্রাস পাবে।

 

সময় দেখার জন্য স্মার্টফোনের পরিবর্তে হাতে ঘড়ি ব্যবহার করুন। এতে অযথা ফোন ব্যবহারের সুযোগ কমে আসবে।

 

বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা বা পারিবারিক সময় কাটানোর সময় স্মার্টফোন ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। এতে সামাজিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।

 

শুধুমাত্র জরুরি কল ও বার্তা পাঠানোর কাজে স্মার্টফোন ব্যবহার করুন। ইন্টারনেট ব্রাউজিং বা অন্যান্য কাজের জন্য কম্পিউটার ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তুলুন।

 

অনেকেই সকালে ঘুম থেকে ওঠার জন্য স্মার্টফোনে অ্যালার্ম ব্যবহার করেন। এতে ঘুম ভাঙার সঙ্গে সঙ্গেই ফোন ব্যবহারের প্রবণতা তৈরি হয় এবং দিনের শুরুতেই সময় নষ্ট হয়। এ অভ্যাস থেকে মুক্তি পেতে আলাদা অ্যালার্ম ঘড়ি ব্যবহার করা যেতে পারে।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, সচেতনতা ও নিয়মিত অভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমেই স্মার্টফোন আসক্তি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। এতে মানসিক প্রশান্তির পাশাপাশি কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পাবে।